লখিমপুরকাণ্ডে অবশেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলেকে সমন, বাড়ির বাইরে সাঁটা হল নোটিস
লখিমপুরকাণ্ডে অবশেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলেকে সমন, বাড়ির বাইরে সাঁটা হল নোটিস
লখিমপুরের ঘটনায় কেন্দ্রীয়মন্ত্রী আশিস মিশ্রর ছেলেকে সমন। মন্ত্রীর বাড়ির দেওয়ালে নোটিস সেঁটে দিল পুলিশ। ৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আশিস মিশ্রর ছেলের বিরুদ্ধে কৃষকদের পিষে মারার অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই উত্তর প্রদেশ পুলিশ লখিমপুর খেরির ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। লবকুশ রানা এবং আশিস পান্ডে নামে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধৃত ২ জনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্রর সহযোগী বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন তাঁর ছেলে সেদিন ঘটনাস্থলে ছিলেম না এবং তাঁর ছেলে সেদিন গাড়িও চালাচ্ছিলেন না। কিন্তু কৃষকরা মানতে নারাজ। তাঁরা বারবার অজয় মিশ্রের ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। এদিকে আবার বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধীও উত্তর প্রদেশ পুলিশকে মন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে পদক্ষের করারা কথা জানিয়েছেন। তিনি বারবার বলেছেন এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। উত্তর প্রদেশ পুলিশের উচিত অবিলম্বে ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীকে িচহ্নিত করে তাকে গ্রেফতার করা।
কৃষকদের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতেই আশিস মিশ্র এবং অজয় মিশ্রর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এফআইআরে লেখা হয়েছে আশিস মিশ্র গাড়ি চালিয়ে কৃষকদের পিষে দিয়েছিল। এমনকী আশিস মিশ্র বেশ কয়েকবার শূন্যে গুলিও করেছিলেন। গাড়ি থেকে নামার পরই শূন্যে গুলি চালিয়েছিলেন তিনি। তারপরেই গা ঢাকা দেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে লখিমপুরে হিংসার ঘটনার ৩টি এসইউভি গাড়ির ভূমিকা ছিল। প্রথম এসইউভিটি আন্দোলনরত কৃষকদের পিষে দিয়েছিল। তার পরপরে আরও দুটি এসইউভি দ্রুত গতিতে প্রথম এসইউভিটির পিছু নেয়। এদিকে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মন্ত্রী পুত্রের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
আজ লখিমপুর খেরিতে পৌঁছেছিলেন রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তাঁরা কথা বলেছিলেন আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে। মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেছেন তাঁরা। গত তিন দিন ধরে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে সীতাপুরের গেস্ট হাউসে আটকে রাখা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করেছে পুলিশ। পরে বুধবার পুলিশ অনুমতি দেয় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীকে সেখানে যাওয়ার। ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন সেখানে। পুলিশের চোখে ধুলো দিেয় তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন সেখানে।












Click it and Unblock the Notifications