মুজফফরনগরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ! মামলা প্রত্যাহারের সংখ্যা বাড়াল যোগী সরকার
ফের মুজফফরনগর গোষ্ঠী সংঘর্ষে মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের। এদিন ২০১৩-র সেই সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত ২০ টি মামলা তুলে নেওয়ারসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ফের মুজফফরনগর গোষ্ঠী সংঘর্ষে মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের। এদিন ২০১৩-র সেই সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত ২০ টি মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই সংক্রান্ত প্রশাসনিক নির্দেশও পাশ হয়ে গিয়েছে। ২০১৭-তে যোগী সরকার ক্ষমতার আসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭৬ টি মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, যোযী সরকার আরও ১২ টি মামলা তুলে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভবিষ্যতের দিনগুলিতে। এসম্পর্কে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। এইসব মামলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জীব বলিয়ান, উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী সুরেশ রানা, বিজেপি সাংসদ সঙ্গীত সোম এবং উমেশ মালিকের নাম রয়েছে।
২০১৮-তে এক প্রতিনিধি দল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে দেখা করেছিলেন, বলিয়ান। তার কাছে ২০১৩-র মুজফফরনগর সংঘর্ষ সংক্রান্ত ১১৪ টি মামলা প্রত্যাহারের আর্জি জানানো হয়েছিল। তাদের দাবি ছিল এইসব মামলা সমাজবাদী দলের সরকারের সময়ে দায়ের করা হয়েছিল। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রেরও অভিযোগ করেছিলেন তাঁরা। এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল একাধিক থানায়। এমনটাই অভিযোগ জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।
এই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পরেই মুজফফরনগর সংক্রান্ত ৯৩ টি মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যোগী সরকার। এছাড়া বাকি ৫ টিতে শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর ১২ টির ক্ষেত্রে আদালতে শুনানি এখনও চলছে।
২০১৩-র মুজফফরনগর এবং সামালি জেলায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে কমপক্ষে ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন ৯৩ জন। ঘরছাড়া হয়েছিলেন কমপক্ষে ৫০ হাজার মানুষ। সংঘর্ষ মূলত হয়েছিল মুজফফরনগরের কাওয়াল গ্রামে। এই গোষ্ঠী সংঘর্ষকে সাম্প্রতিক ইতিহাসে উত্তর প্রদেশের সবথেকে খারাপ সংঘর্ষ বলে উল্লেথ করা হয়েছিল সেই সময়। সংঘর্ষ থামাতে সেখানে সেনাও নামাতে হয়েছিল। যা রাজ্যে ২০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার।
তৎকালীন সরকার ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করেছিল। ১৭৫ টি মামলায় চার্রজিশিট দাখিল করা হয়। পুলিশ ৬৮৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল। ১৪৮০ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications