টার্গেট ফিক্স করে যোগী রাজ্যে নতুন জনসংখ্যা নীতি, প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী
টার্গেট ফিক্স করে যোগী রাজ্যে নতুন জনসংখ্যা নীতি, প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসকে (world population day) সামনে রেখে উত্তর প্রদেশের জন্য নতুন জনসংখ্যা নীতি (new population policy) ঘোষণা করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath)। মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপরেও জোর দিয়েছেন তিনি।

জন্ম নিয়ন্ত্রণে জোর
প্রস্তাবিত জনসংখ্যা নীতিতে জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদক্ষেপে জোর দেওয়া হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনার পাশাপাশি নিরাপদ গর্ভপাতের কথাও বলা হয়েছে প্রস্তাবিত জনসংখ্যা নীতিতে। স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি করে পুরুষত্বহীনতা এবং বন্ধত্বের সমস্যার সমাধানের কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি সদ্যোজাত এবং শিশু জন্মের সময় মায়েদের মৃত্যুর হার কমানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে নতুন নীতিতে।

টার্গেট ফিক্সড
প্রস্তাবিত নীতি প্রকাশ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, উন্নয়নের জন্যই জনসংখ্যায় স্থিতিশীলতা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। প্রস্তাবিত নীতিতে ২০২৬ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২০২৬ সাল নাগাদ হাজারে ২.১ এবং ২০৩০ সাল নাগাদ তা নামিয়ে প্রতি হাজারে ১.৯ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সমস্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে জনসংখ্যার ভারসাম্যের কথাও বলা হয়েছে এই নীতিতে।

বলা হয়েছে অন্যদের কথাও
প্রস্তাবিত নীতিতে বয়স্কদের দিকে নজর নারাখ কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও ১১ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পর্যাপ্ত পুষ্টির কথা বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত রাজ্যে এর আগে ২০০০-১৬ জনসংখ্যা নীতি ছিল। কিন্তু তার সময়কাল শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে তার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল বলেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিজিটাল হেলথ মিশনের মাধ্যমে জনসংখ্যায় স্থিতিশীলতা আনার পাশাপাশি শিশু, কিশোর এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের ট্র্যাকিং করার কথা বলা হয়েছে।

সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও নেওয়া হবে প্রস্তাব
অন্যদিকে এব্যাপারে রাজ্য আইন কমিশনও এই বিলের ব্যাপারে একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে। সেখানে সাধারণ মানুষের কাছে প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান করা হয়েছে। ১৯ জুলাই পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এব্যাপারে তাঁদের কোনও প্রস্তাব থাকলে দিতে পারবেন। বাচ্চে দো হি আচ্ছা-র ওপরে জোর দেওয়া হয়েছে রাজ্য আইন কমিশনের তরফে।

সরকারি প্রস্তাব
নতুন জনসংখ্যা নীতিতে সরকারি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাবা-মা যাঁরা তাঁদের পরিবার দুটি সন্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন, সরকারি চাকরিতে থাকলে তাঁদেরকে ভলান্টারি স্টেরিলাইজেশনের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দুটি অতিরিক্তি ইনক্রিমেন্ট, প্রমোশন দেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকারি হাউজিং স্কিমের সুবিধা দেওয়া হবে। পিএফ-এ নিয়োগকারীর দান বাড়ানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সরকারি চাকরিতে নেই তাঁদের ক্ষেত্রে জল, বিদ্যুৎ, ঘরের ট্যাক্স, হোম লোনের সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যদি এই আইন একবছরের মধ্যে লাগু হয়, তাহলে সব সরকারি আধিকারিক, কর্মী এবং নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের এফিডেভিট করে বলতে হবে তারা এই নীতি ভঙ্গ করবেন না। এছাড়া রেশন কার্ড দেওয়া হবে ৪ জনের জন্য। স্নাতক পর্যায়ে ফ্রি এডুকেশন ক্যাম্প, কন্যা সন্তানের উচ্চশিক্ষা, একটি সন্তানের ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিতে সুবিধার কথাও বলা হয়েছে। অন্যদিকে বহুগামিতার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ক ব্যক্তির খ, গ, ঘ তিন স্ত্রী রয়েছে। এক্ষেত্রে ক খ, ক গ, ক ঘ আলাদা পরিবার হিসেবে গণ্য করা হবে। কিন্তু যদি প্রত্যেকেরই একটি করে সন্তান থাকে, তাহলে ক -এক ক্ষেত্রে তা হয়ে যাবে তিন। ফলে তা সরকারি নীতিকে ভঙ্গ করবে।












Click it and Unblock the Notifications