UP Bye Elections 2024: হিন্দু প্রার্থীর সঙ্গে পেরে উঠলেন না ১১ মুসলিম! কুন্দরকিতে বিজেপির বাজিমাত বড় চমক
UP Bye Elections 2024: উত্তরপ্রদেশের কুন্দরকি বিধানসভার উপনির্বাচনে চমকপ্রদ ঘটনা। এখানে বিজেপি প্রার্থী রামবীর সিং ঠাকুরের লড়াই ছিল ১১ মুসলিম প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
সেখানে কেউই পেরে উঠলেন না রামবীরের সঙ্গে। ৩০ বছর পর মুসলিম অধ্যুষিত এই আসনটি ছিনিয়ে নিল বিজেপি। গড় ধ্বংস সমাজবাদী পার্টির।

তাও রামবীরের জয়ের ব্যবধান নেহাত কম নয়। ১ লক্ষ ৪০ হাজার ভোটে জিতে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় যাবেন রামবীর। ১৯৯৩ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার ভোটে বিজেপির চন্দ্র বিজয় সিং জিতেছিলেন কুন্দরকিতে। তারপর এই প্রথম এই আসনটিতে জয় পেল গেরুয়া শিবির।
এবারের উপনির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির মহম্মদ রিজওয়ান থাকলেন দ্বিতীয় স্থানে। কাশীরামের আজাদ সমাজ পার্টি দাঁড় করিয়েছিল চাঁদ বাবুকে। এআইএমআইএমের প্রার্থী ছিলেন মহম্মদ বরিশ। বহুজন সমাজ পার্টি দাঁড় করায় রাফাতুল্লাহকে। কিন্তু রামবীর জিতলেন একপেশেভাবেই।
কুন্দরকি বিধানসভা আসনটি পড়ে মোরাদাবাদ জেলার সম্ভল লোকসভার মধ্যে। এখানে ৬০ শতাংশ মানুষই মুসলিম সম্প্রদায়ের। সেখানে ১১ মুসলিম প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে বিজেপির হিন্দু প্রার্থীর জয়, তাও ১.৪ লক্ষ ভোটে, নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ।
यह जीत क्षेत्र की जनता को समर्पित है, जो गंगा-जमुनी तहज़ीब की मिसाल पेश करती है। यह उन सभी मेहनतकश किसानों, पिछड़े वर्गों, और एग्रो समुदाय के लोगों को समर्पित है, जिन्होंने इस संघर्ष में हमारा साथ दिया। यह जीत आपकी है, आपकी आवाज़ और आपके विश्वास की जीत है। हम क्षेत्र के सर्वांगीण… pic.twitter.com/5wUlzbFddX
— Ramveer Singh (@RamveerSinghBJP) November 23, 2024
রামবীরের কাছে যে রিজওয়ান হারলেন রাজনীতিতে তাঁর প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে তিনিই ছিলেন ইন্ডিয়া জোটের বড় বাজি। ২০০২ সালে রিজওয়ান প্রথম জেতেন কুন্দরকিতে। ২০০৭ সালে বিএসপির কাছে তিনি হেরে যান। যদিও ফের জেতেন ২০১২ ও ২০১৭ সালে।
সমাজবাদী পার্টির দুর্গ বলে পরিচিত কুন্দরকিতে রিজওয়ানের হার, বিজেপির জয় নিশ্চিতভাবেই অখিলেশ যাদবের কাছেও বড় ধাক্কা। কুন্দরকিতে ভোটের দিনই পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন রিজওয়ান। ভোটগ্রহণ পদ্ধতি নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। মুসলিম ভোটাররা ভোট দিতে পারছেন না বলেও দাবি ছিল তাঁর।
উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ভোটারদের আধার কার্ড-সহ সচিত্র পরিচয়পত্র দেখছে বলে অভিযোগ করে পুলিশি অতিসক্রিয়তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন অখিলেশও। যে কোনও মূল্যে জেতার জন্য বিজেপি পুলিশকে ব্যবহার করছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো।
তবে মনে করা হচ্ছে, মুসলিম ভোট ভাগ হওয়ার সুফলই পেল বিজেপি। সেই সঙ্গে সমাজবাদী পার্টির মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও ভোটের ফলে প্রভাব ফেলল বলে মত রাজনৈতিক মহলের। বিজেপির সব কা সাথ, সব কা বিকাশেই রামবীরের জয় বলে চিহ্নিত করছে বিজেপি। এখানে প্রচারে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য়নাথ। বিজেপির মুসলিম নেতৃবৃন্দও।












Click it and Unblock the Notifications