গণধর্ষণে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ক সহ ছ’জনকে ক্লিনচিট দিল পুলিশ
গুরুতর অভিযোগ ছিল বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে। একমাস ধরে এক যুবতীকে হোটেলে আটকে নিজে তো বটেই, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে করা হয় গণধর্ষণ। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। দায়ের হয় এফআইআরও। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ত্রিপাঠিকে গ্রেফতার করলেও ক্লিনচিট দিল পুলিশ। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে বিধায়কের ভাইপোকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এই ধর্ষণ কাণ্ডের তদন্তকারী অফিসার ভাদোহি রাম বাদান সিং বলেন, 'গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিজেপি বিধায়ক ও তাঁর পরিবারের ৬ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক মহিলা। ঘটনার তদন্তে নেমে একাধিক ব্যক্তির জবানবন্দী রেকর্ড করেছি আমরা। তদন্ত রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে ওই বিধায়ক ও তাঁর পরিবারের ৬ জন কোনওভাবেই এই ধর্ষণ কাণ্ডে যুক্ত নন। তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁদের ক্লিনচিট দিয়ে দেওয়া হলেও বিধায়কের ভাইপো সন্দীপ তিওয়ারি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
৪০ বছরের ওই মহিলা রবীন্দ্রনাথ ত্রিপাথি ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে হওয়া ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। সন্দীপ ছাড়াও ওই পরিবারের এক সদস্য নীতিশের নামও এফআইআরে রয়েছে। যে মহিলার সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও মারধর করেছিল। পুলিশ জানিয়েছে অভিযোগকারিনী মহিলা মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে অস্বীকার করেন। ওই বিধবার অভিযোগ অনুযায়ী তাঁকে ২০১৬ সালে প্রথম সন্দীপ তিওয়ারি ধর্ষণ করে। তিনি তখন অভিযোগ করেননি কারণ তিওয়ারি তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিওয়ারি তাঁকে হোটেলের ঘরে আটকে রাখে এবং সাতজন অভিযুক্ত এসে তাঁকে ধর্ষণ করে যায়। এমনকী ওই মহিলা গর্ভবতীও হয়ে যান এবং তাঁকে জোর করে গর্ভপাত করানো হয়।












Click it and Unblock the Notifications