CAA লাগু হতেই স্থগিতাদেশের আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দরজায় পৌঁছল IUML
নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) স্থগিত করতে হবে। এই দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)। গতকাল সোমবার সিএএ ভারতে কার্যকরী হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এই আইন স্থগিতের আবেদন হল সুপ্রিম কোর্টে।
এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার সিএএ আইন নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ সংসদীয় গণতন্ত্রের উপর আক্রমণের সমান। এই সিএএ পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা নথিবিহীন অমুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্বের পথ প্রশস্ত করে।

ভারতের নির্বাচন কমিশন লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কয়েক দিনের মধ্যেই। তার আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত সংসদীয় গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ। এমনই মত পাওয়ারের৷ নির্বাচনী বন্ড নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ছে। এই বিষয়ে নথি, কাগজ এসবিআইয়ের কাছে সুপ্রিম কোর্ট আজই দেখাতে নির্দেশ দিয়েছে৷
বিজেপি সেই বিষয় নিয়ে প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়েছে। ওই বিষয়কে মানুষের নজর থেকে সরাতে হবে। সেই কারণে এই সিএএ চালু করা হল। বিরোধীরা এমন কথা দাবি করছে। একই মত শরদ পাওয়ারেরও। নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন ২০১৮ সালে নিয়ে আসা হয়েছিল। সোমবার এটি কার্যকর হয়েছে। মধ্যে চার চারটি বছর পেরিয়ে গিয়েছে। দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন। সেই কারণে এখন প্রতিশ্রুতি মতো এই সিএএ চালু করা হল। এমনই দাবি করছেন বিরোধীরা।
সিএএ লাগু হওয়ার পরেই দিল্লিতে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়। সামান্য কোনও গণ্ডগোলও যাতে না হয়৷ সেজন্য পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। দিল্লির উত্তর-পূর্ব জেলার পুলিশ ৪৩ টি হটস্পট চিহ্নিত করে। সেখানে টহল চলে। রাতে আরও বাড়ানো হয় নজরদারি।
যাতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতেও কোনও উস্কানিমূলক পোস্ট না ছড়ায়। সেজন্য দিল্লি পুলিশের সাইবার ইউনিট নজর রাখছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা পুলিশের দায়িত্ব। জানাচ্ছেন আধিকারিকরা। সেজন্যই আগাম এই নজরদারি।
সংবিধানের ছয় তম তফসিলের অধীনে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বেশিরভাগ উপজাতীয় এলাকায় প্রয়োগ করা হবে না সিএএ। এইসব জায়গায় দেশের অন্যান্য অংশের লোকেদের ভ্রমণের জন্য ইনার লাইন পারমিট প্রয়োজন। সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত।












Click it and Unblock the Notifications