পাকিস্তানের ওপর আবার 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক'! জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে আটাওয়ালের মন্তব্যে জল্পনা
২০১৯-এর বালাকোট সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ঘা এখনও দগদগে প্রতিবেশী পাকিস্তানের। আবারও পাকিস্তানের ওপর একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রামদাস আটাওয়ালে।
২০১৯-এর বালাকোট সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ঘা এখনও দগদগে প্রতিবেশী পাকিস্তানের। আবারও পাকিস্তানের ওপর একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রামদাস আটাওয়ালে। শনিবার জম্মু-কাশ্মীর প্রসঙ্গে উত্থাপন করে পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার বার্তা শোনা গেল কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রামদাস আটাওয়ালের মুখে।

তিনি নাগপুর সফরকালে বলেন, "পাকিস্তান প্রতিনিয়ত জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের ঠেলে দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করছে এবং সাধারণ মানুষকে হত্যার চেষ্টা করছে। তাই পাকিস্তানকে শিক্ষা দেওয়ার দরকার। পাকিস্তান ভুলে গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তা আরও একবার মনে করিয়ে দেওয়া উচিত সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মাধ্যমে।"
কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রামদাস আটাওয়ালে আরও বলেন, " কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বলেছেন যে, যদি পাকিস্তান এইভাবে আচরণ করতে থাকে, তাহলে পাকিস্তানের উপর আরেকটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে হবে। আমিও তাঁর সঙ্গে একমত। আবারও একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক প্রয়োজন পাকিস্তানের জন্য।
আটাওয়ালে এদিন জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, "পাকিস্তান যদি সংঘাতের অবসান ঘটাতে চায়, তবে জম্মু ও কাশ্মীরের দিকে যেন হাত না বাড়ায়। এমনকী পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরকেও ভারতের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। কিন্তু পাকিস্তান তা করতে নারাজ।
রামদাস আটাওয়ালের কথায়, প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্লোগান হচ্ছে- 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ'। তাই জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে থেকে তার উন্নয়ন ঘটানোই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্দেশ্য। সেই মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের সরকার চলছে। এই সরকারের কাছে সবার আগে দেশ। দেশের সুরক্ষা, দেশের উন্নয়নই একমাত্র লক্ষ্য।
উরি সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায়, ভারতীয় সেনাবাহিনী ২০১৬ সালের ২৮-২৯ সেপ্টেম্বর রাতে পাকিস্তানে একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল। ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসীরা উরি সেক্টরে ভারতীয় সেনা ক্যাম্পে হামলা চালায়। সেখানে ১৮ জন সৈন্য শহিদ হন। পাকিস্তান পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলার কারণে ভারত ক্ষুব্ধ হয়েছিল সেবার। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, 'হামলাকারীকে ক্ষমা করা হবে না, ১৮ জন জওয়ানের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। তারপরই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয়েছিল পাকিস্তানের উপর। উরি সেক্টরে সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হয়েছিল সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মাধ্যমে। তারপর পুলওয়ামায় আধাসেনার ট্রাকের আত্মঘাতী হামলা চালানো হয় পাকিস্তান কর্তৃক। তার জবাবও এয়ারস্ট্রাইক দিয়ে দেয় ভারত। বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের ঘা এখনও শুকোয়নি পাকিস্তানের। ২ বছর কাটতে না কাটতেই ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications