টেলিকম সেক্টরে বড় স্বস্তি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নয়া ঘোষণা! এজিআর বকেয়া নিয়ে কী জানাল কেন্দ্র
টেলিকম সেক্টরে বড় স্বস্তি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নয়া ঘোষণা! এজিআর বকেয়া নিয়ে কী জানাল কেন্দ্র
শেষমেশ টেলিকম সেক্টরকে স্বস্তি দিল কেন্দ্র। বহুদিন ধরে ধুঁকে পড়া টেলিকম সেক্টরে অ্যাডজাস্ট গ্রস রেভিনিউ সংক্রান্ত কয়েক কোটি টাকার বকেয়া ছিল। সেই জায়গা থেকে এদিক কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে যে সেই বকেয়ায় আপাত স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। ফলে ভোডাফোনের মতো দেনার দায় প্রবলভাবে বিধ্বস্ত সংস্থা এবার খানিকটা স্বস্তি পেল। বুধবার কেন্দ্রের তরফে একটি নতুন ঘোষণায় জানানো হয়েছে যে, স্পেকট্রামের ক্ষেত্রে যে বকেয়া রয়েছে তা নিয়ে আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করেছে কেন্দ্র। এই মর্মে কেন্দ্রিয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন এসেছে। তবে এবার সরকারের মধ্যে থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে, করদাতাদের টাকায় টেলিকম সেক্টরের সেই সমস্ত সংস্থাকে চাঙ্গা করাটা কি ঠিক হচ্ছে, বিশেষত যে সমস্ত সংস্থা বিভিন্ন আইনি জটিলতায় বকেয়া টাকাই প্রদান করতে পারছে না? এক্ষেত্রে বারবার বিড়লাদের আইডিয়া সেলুলার ও ভোডাফোনের কথা উঠে আসছে।

এর আগে, ভোডাফোন আইডিয়ার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কুমারমঙ্গলম বিড়লা কেন্দ্রের সচিবের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে, ভোডাফোনে তাঁর যে স্টেক রয়েছে, তা সরকার বা সরকার দ্বারা অনুমোদিত যে কোনও সংস্থাই নিয়ে যেতে পারে। আর তা তিনি বিনামূল্যে দিতে পারেন। প্রসঙ্গত, বহুদিন ধরেই আর্থিক সমস্যার জেরে ভুগছে সংস্থা। উল্লেখ্য, তারপরই ৪ অগাস্ট ভোডাফোন আইডিয়া সেলুলার লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন কুমারমঙ্গলম বিড়লা। প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ ভোডাফোনের সঙ্গে বিড়লাদের আইডিয়া সেলুলার বহু বছর আগেই একত্রিত হয়। আর তার জেরেই টেলিকমের স্পেকট্রাম ক্ষেত্রে আইনি দিক থেকে তাদের বকেয়া ৫০,৩৯৯.৬৩ কোটি টাকা। যে অঙ্ক প্রদান মোটেও সহজ কাজ নয়। বহু বছর ধরে জমে টাকা বকেয়া গিয়ে এই অঙ্কে ঠেকেছে এই সংস্থার। এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে এদিন টেলিকম সেক্টরেকে বাঁচানোর জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে অই উদ্যোগের হাত ধরে বহু সমস্যার সমাধান হতে পারে। এদিন সরকার যে বকেয়া প্রদানে স্থগিতাদেশ দিয়েছে তাতে অ্যাডজাস্ট গ্রস রেভিনউ ও স্পেকট্রাম ইউসেজ চার্জেস থাকবে।
এদিকে, মনে করা হচ্ছিল যে গত সপ্তাহেই এই সমস্যার সমাধান হবে টেলিকম সেক্টর সম্পর্কীয় এই সমস্যা। তবে আপাতত, তা এই সপ্তাহতেই হয়ে যাওয়ায় বহু টেলিকম সেক্টর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে তিনটি টেলিকম সেক্টর আলাদা করে স্বস্তি পেয়েছে। বহু দিন ধরে ক্ষতিতে চলা বহু সংস্থা এমন করুণ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। ফলে তাদের কাছে কেন্দ্রের তরফে নেওয়া এই নয়া সিদ্ধান্ত একটি বড়সড় ভূমিকা পালন করবে। মূলত, করোনা পরিস্থিতির জেরে রীতিমতো ত্রস্ত ভারতের অর্থনৈতিক দিক। এদিকে, বহু দিন ধরেই করোনার ধাক্কায় কিছুটা হলেও ধরাশায়ী অবস্থার মধ্যে পড়ে গিয়েছে বিশ্ব জোড়া অর্থনীতি। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নয়া সিদ্ধান্ত একটি বড় বিষয় তুলে ধরল।












Click it and Unblock the Notifications