'কুর্সি বাঁচাও', 'অন্ধ্র-বিহার' বাজেট কটাক্ষ তৃণমূলের! প্রধানমন্ত্রীকে জিতিয়েও বঞ্চিত ইউপি, দাবি অখিলেশের
Union Budget 2024-25: নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আজই প্রথম সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর তারপরই সরব হয়েছে বিরোধীরা।
তৃণমূল কংগ্রেস এক্স হ্যান্ডলে এই বাজেটকে অন্ধ্র-বিহার বাজেট বলে কটাক্ষ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জিতিয়েও উত্তরপ্রদেশ অবহেলিত ও বঞ্চিত, দাবি সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদবের।

অন্ধ্র প্রদেশ ও বিহারের নামের মধ্যে থাকা এন, ডি ও এ-কে বেছে নির্মলাকে অন্ধ্র-বিহারের এনডিএ অর্থমন্ত্রী বলে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। সরকারের টিকিয়ে রাখার মরিয়া প্রয়াস এই বাজেটে লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের।
সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটি কুর্সি বাঁচাও বাজেট। যে পার্টিদের ধরে সরকার টিকিটে রাখতে চাইছে বিজেপি, এটা তাদের জন্য বাজেট। দেশের জন্য নয়। বিহারের নীতীশ কুমার, অন্ধ্র প্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুকে পাশে রাখতেই এই বাজেট।
কল্যাণের দাবি, এই বাজেটে বাংলার জন্য কিছুই দেওয়া হয়নি। বাংলাকে ওরা দেখতে পারে না। বাঙালিদের দেখতে পারে না। বাংলার মানুষকে ওরা সহ্য করতে পারে না। বিজেপি এবার সাফ হয়ে যাবে বাংলা থেকে। বাজেটে পাঞ্জাবকে বঞ্চিত করার অভিযোগে সংসদের বাইরে বিক্ষোভ দেখান সেখানকার সাংসদরা।
সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব বলেন, উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগের কোনও বার্তা নেই। বড় বড় সংখ্যাতত্ত্বের কথা বলা হয়, কিন্তু কোনও প্রকল্প সঠিক সময়ে শেষ হয় না। সরকার টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এই বাজেট ঠিক আছে। বিহার ও অন্ধ্রের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ বা যোজনার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এরপরই অখিলেশ বলেন, উত্তরপ্রদেশ দেশকে প্রধানমন্ত্রী দিয়ে আসছে। কিন্তু সেই রাজ্যের জন্য, কৃষকদের জন্য কোনও ঘোষণা নেই। আগে কৃষকদের জন্য মান্ডি, কৃষি পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। তাতে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি সংকট বেড়েছে।
অখিলেশ আরও বলেন, ১০ বছরে এই কেন্দ্রীয় সরকারই বেকারত্ব বাড়িয়েছে। ১-২ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক বা ট্রেনিং দিয়ে কিছু কাজ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হতে পারে না। মনে রাখতে হবে, সকলে নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে স্থায়ী চাকরিই চান।
সমাজবাদী পার্টি সাংসদ ডিম্পল যাদবের কথায়, সরকার প্রকল্পের কথা বললেও তা বাস্তবায়িত হয় না। মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়েও বাজেটে কিছু বলা হয়নি। সরকার মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম টানতেও পদক্ষেপে আগ্রহী নয়। গ্রামীণ এলাকায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে, তা মোকাবিলার কিছুও বাজেটে নেই।












Click it and Unblock the Notifications