করোনা আবহে দ্বিতীয় মোদী সরকারের দ্বিতীয় বাজেট: কী চাইছে আমজনতা
বেলা এগারোটা নাগাদ দ্বিতীয় মোদী সরকারের দ্বিতীয় বাজেট ( union budget 2021) পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (nirmala sitharaman) । করোনা পরিস্থিতিতে এটা প্রথম বাজেট। এটা প্রথমবারের পেপারলেস বা
বেলা এগারোটা নাগাদ দ্বিতীয় মোদী সরকারের দ্বিতীয় বাজেট ( union budget 2021) পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (nirmala sitharaman) । করোনা পরিস্থিতিতে এটা প্রথম বাজেট। এটা প্রথমবারের পেপারলেস বাজেটও বটে। সেই বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষের (common man) প্রত্যাশা আকাশচুম্বি।

জিনিসের দাম কমানো
জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। জ্বালানি থেকে শুরু করে শাকসবজি সব জিনিসের দাম বাড়ছে। আমজনতা এই দাম বৃদ্ধি থেকে একটু রেহাই পেতে চায়। সেক্ষেত্রে মোদী সরকার কী পদক্ষেপ করতে চলেছে, তারই অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।

কর্মসংস্থান
করোনা পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থান একটা বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। অনেকের চাকরি গিয়েছে। বহু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই সুযোগ নিয়ে বেতনও কমিয়ে দিয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে চায় আমজনতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বেকারত্বের হার ২৩ শতাংশ থেকে কমেছে। পেশাদারি সংস্থা এই রিপোর্ট দিলেও, সাধারণ মানুষের চোখে তার কিছুই পড়ছে না। তাই তাঁরা কর্মস্থানের ব্যাপারের সরকারের পদক্ষেপের দাবি করছেন।

বেসরকারিকরণ কমানো
আগের ইউপিএ সরকারের থেকে প্রথম এবং দ্বিতীয় মোদী সরকারের আমলে বেসরকারিকরণের পরিমাণ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একের পর এক সরকারি কিংবা সরকারি অধিগৃহীত সংস্থার বেসরকারিকরণ চায় কেন্দ্র, অর্থের যোগান বাড়াতে। এই তালিকায় রয়েছে এলআইসি, রেলের মতো সংস্থাও। যার বিরোধিতা করছে সাধারণ মানুষ।

গ্যাসের দাম
সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল, ডিজেল সহ রান্নার গ্যাসের দামে বৃদ্ধি হয়েছে। এই দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের ওপরে। প্রতিদিনের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এব্যাপারে মোদী সরকার পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
সাধারণ মানুষের পক্ষেই মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পেরে ওঠা অবশ্যই কঠিন। বর্তমানে মহামারীর কারণে অনেকেই ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। যার ফলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়লে সরাসরি তাদের পকেটে প্রভাব পড়ছে। সেজন্যই জ্বালানির দাম কম হোক এমনটাই চাইছেন সাধারণ মানুষ।

শিক্ষায় সুবিধা
এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসের সঙ্কটকালে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। গত কয়েক মাস ধরে বাড়ি থেকেই স্কুলের পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। এই অবস্থায় ইন্টারনেট সংযোগ একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অংশে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট-কম্পিউটার নেই। ফলে তাদের ক্ষেত্রে সরকার কোনওরকম বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারি কিনা সেই একটা আবেদন সামনে এসেছে।

ব্যাঙ্কের সুদ বাড়ানো
যত দিন যাচ্ছে ততই কমে যাচ্ছে ব্যাঙ্কের সুদ। যার ফলে চাকরিজীবী মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হচ্ছে। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত মানুষেরা যাদের আয় সীমাবদ্ধ এবং যাদের কোনও পেনশন নেই, তাঁরা সুদ দিনদিন কমে যাওয়ায় অবশ্যই বিপদে পড়েছেন। এই অবস্থায় ব্যাঙ্কের সুদ বাড়ানো হোক এবং বাজেটের মাধ্যমে তা ঘোষণা করুক সরকার এমনটাই চাইছে আমজনতা।

কর ছাড়ের সীমা বাড়ানো
কর ছাড়ের সীমা বাড়ানোও সাধারণ মানুষের চাহিদার মধ্যে পড়ছে। শোনা যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে ৮০ সি ধারায় দেড় লক্ষ টাকা কর ছাড় পাওয়া যায়। সেই পরিস্থিতিতে সাধারণ চাকুরিজীবী থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্তদের দাবি কর ছাড়ের সীমা বাড়ানো হোক।
{quiz_500}












Click it and Unblock the Notifications