কোন রাজ্যে বেকারত্বের হার বেশি, কোন রাজ্যেই বা কম! পরিসংখ্যান একনজরে
করোনায় কোন রাজ্যে বেকারত্ব বেশি, কোন রাজ্যেই বা কম! পরিসংখ্যান একনজরে
করোনার লকডাউনে হু হু করে বাড়ছে বেকারত্বের হার। পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরতে আরও বেকারত্ব বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে্ বেকারত্বের হারের পরিসংখ্যানে কোন রাজ্য কোথায় দাঁড়িয়ে সেই ছবি সামনে এল। বহু রাজ্যের এমন হাল যে, আগামী দিনে বেকারত্ব সবথেকে বড় সংকট হয়ে দেখা দিতে পারে।
বেকারত্বের হারে কোন রাজ্য কোথায় দাঁডিয়ে, দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

বেকারত্বের হার প্রথম ও শেষ তিন রাজ্য
বেকারত্বর হার সবথেকে বেশি পুদুচেরিতে। সেখানে বেকারত্বের হার ৫৮.২ শতাংশ। এরপর বিহারে ৪৬.২ শতাংশ, দিল্লিতে ৪৪.৯ শতাংশ হার বেকারত্বের। আর সবথেকে কম বেকারত্বের হার হল জম্মু-কাশ্মীর ৫.২ শতাংশ, মেঘালয় ৫.৯ শতাংশ ও উত্তরাখণ্ড ৮.০ শতাংশ।

মার্চ মাসে জাতীয় বেকারত্বের হার
মার্চ মাসে জাতীয় বেকারত্বের হার ছিল মাত্র ৮.৭৫ শতাংশ। তারপর করোনার ধাক্কায় এপ্রিলে তা দাঁড়ায় এক লাফে ২৩.৫২ শতাংশে। মে মাসে এই মাত্রা ছিল ২৩.৪৮ শতাংশ। আর এখন তা একটু কমে দাঁড়িয়েছে ২২.৪ শতাংশ। শহরে এই হার ২৪.২ শতাংশ। আর গ্রামে ২১.৬ শতাংশ।

জাতীয় গড়ের নিরিখে মোদী-মমতার রাজ্য
বাংলার বেকারত্বের হার ভারতের জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক কম। বেকারত্বের হার কম মোদী-রাজ্য গুজরাটেও। অনেক বড় রাজ্যের তুলনায় বাংলা এগিয়ে রয়েছে। করোনার তিনমাসের সংক্রমণে বাংলায় বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে ১৭.৪ শতাংশ। সেখানে জাতীয় গড় ২২.৪ শতাংশ। আর মোদী রাজ্যে হার ১৩.৬ শতাংশ।

যে রাজ্যগুলি পিছিয়ে বেকারত্বের হারে
জাতীয় গড়ের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে অনেক বিজেপিশাসিত রাজ্য। বিজেপি বন্ধু রাজ্যগুলিও পিছিয়ে রয়েছে। জাতীয় হারের তুলনায় বেশি বেকারত্ব বিহার, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ। এছাড়া দিল্লি, ঝাড়খণ্ড, কেরালা, পুদুচেরি, পঞ্জাব, সিকিম, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানাও পিছিয়ে।

যে রাজ্যগুলি এগিয়ে বেকারত্বের হারে
জাতীয় গড়ের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মমতার রাজ্য বাংলা ও মোদী রাজ্য গুজরাট। এছাড়াও এগিয়ে রয়েছে বিজেপিশাসিত ত্রিপুরা, অসম, উত্তরাখণ্ড, গোয়া, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ। আর অ-বিজেপিশাসিত রাজ্যের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, রাজস্থান, মেঘালয়, ছত্তিশগড় ও জম্মু-কাশ্মীর, অন্ধ্রপ্রদেশ।












Click it and Unblock the Notifications