অধঃগতি দেশের অর্থনীতির, কর্মসংস্থানের গতিও চূড়ান্ত শ্লথ, মোদীর আমলে কী বলছে রিপোর্ট
ভারতের কর্মক্ষেত্রের পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। বেকারত্বের হার ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ হয়েছে। এবং অদূর ভবিষ্যতেও তা খুব একটা আশাব্যঞ্জক রূপে দেখা যাচ্ছে না।
ভারতের কর্মক্ষেত্রের পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল আকার নিয়েছে। বেকারত্বের হার ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ হয়েছে। এবং অদূর ভবিষ্যতেও তা খুব একটা আশাব্যঞ্জক রূপে দেখা যাচ্ছে না। কারণ বিভিন্ন সেক্টরগুলিতে কর্মী নিয়োগের হার একেবারেই আশাপ্রদ নয়।

কয়েকটি সেক্টর তলানিতে
ব্যাঙ্ক, বীমা, অটো মোবাইল, লজিস্টিক্স, পরিকাঠামো ইত্যাদি ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলিতে কর্মী নিয়োগের হার অত্যন্ত কম। এমনটাই সমীক্ষায় উঠে এসেছে কেয়ার রেটিংসের। অন্তত ১ হাজার কোম্পানির বার্ষিক রিপোর্ট যাচাইয়ের পর এই চিত্র সামনে এসেছে।

সার্ভি সেক্টর ব্যতিক্রম
সার্ভিস সেক্টর একমাত্র এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়ে রয়েছে। কারণ এই সেক্টরে দারুণ বৃদ্ধি চোখে পড়ছে। যা অন্য কোনও সেক্টরে দেখা যায়নি।

বাজারে বড় প্রভাব
চাহিদা কমে আসা বড় প্রভাব ফেলেছে বাজারে। মার্চ ত্রৈমাসিকে যা গত পাঁচ বছরে সবচেয়ে নেমে গিয়েছে। কর্মসংস্থান না বাড়লে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হয়। সেটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কীভাবে সামাল দেবেন সেটাই এখন দেখার।

বাড়েনি কর্মসংস্থান
২০১৭ সালের মার্চে কর্মসংস্থান বেড়ে ৫.৪৪ মিলিয়ন হয়েছিল। তা ২০১৮ সালের মার্চে বেড়ে ৫.৭৮ মিলিয়ন হয়েছে। বৃদ্ধি মাত্র ৬.২ শতাংশ। এবছরে বৃদ্ধি কমে হয়েছে ৪.৩ শতাংশ। সবমিলিয়ে ৬.০৩ মিলিয়ন কর্মসংস্থান বেড়েছে।

ধাক্কা প্রায় সর্বত্র
আয়রন, স্টিল ও খনি সংস্থাগুলিতে কর্মী নিয়োগ কমেছে। বেড়েছে হসপিটালিটির মতো ক্ষেত্রে। ব্যাঙ্কিং সেক্টরেও ধাক্কা লাগায় সবমিলিয়ে কর্মসংস্থান বিরাট ধাক্কা খেয়েছে। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে কীভাবে ছন্দ ফেরে এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications