রাহুলে অভিযোগ ধর্তব্যের মধ্যে আনছে না কর্নাটকবাসী! ভোটের আগে সমীক্ষায় উঠে এল বড় সমস্যার কথা
বিধানসভা হোক বা লোকসভা যে কোনও ভোটেই সাধারণ মানুষ ইস্যুকে বেছে নিয়ে থাকেন। সেরকম কর্নাটক নির্বাচনেও। এনডিটিভি এবং লোকনীতি-সিএসডিএস-এর সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে সব থেকে বেশি প্রায় ২৮ শতাংশ উত্তরদাতা বলছেন এই মুহূর্তে রাজ্যে বেকারত্বই সব থেকে বড় সমস্যা।
বেকারত্বের পরে সব থেকে বড় যে সমস্যা এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে তা হল দারিদ্র। প্রায় ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলছেন দারিদ্র রাজ্যের দ্বিতীয় বড় সমস্যা। এছাড়াও রয়েছে উন্নয়নের অভাব, মূল্যবৃদ্ধি এবং শিক্ষার মতো বিষয়গুলি।

এপ্রিলের শেষের দিকে কর্নাটকে ভোট প্রচারের সময় রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন কর্নাটকের বিজেপি সরকার দেশের সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত। এই সরকার কোনও কাজের জন্য ৪০ শতাংশ কমিশন নেয়। আগের সরকার বিধায়কদের চুরি করতে এই টাকাই ব্যবহার করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী মোদীর উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক এবং উত্তর-পূর্বের বিধায়কদের কেনার জন্য কোন টাকা ব্যবহার হয়েছিল, সে ব্যাপারে কি তিনি কিছু বলবেন। প্রচারে রাহুল গান্ধী বলেছেন এই সরকার চুরির সরকার। ৩ বছর আগে গণতন্ত্র ধ্বংস করে তা চুরি করা হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেছিলেন রাহুল গান্ধী।

রাহুল গান্ধী প্রশ্ন করেছিলেন, কেন প্রধানমন্ত্রী এই সরকারের চুরি নিয়ে কোনও কথা বলছেন না। কর্নাটকে চুরি বন্ধ করতে তিনি কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেই প্রশ্ন করেছিলেন রাহুল। সেক্ষেত্রে সমীক্ষায় উঠে এসেছে রাজ্যের মাত্র ছয় শতাংশ মানুষ দুর্নীতিকে সমস্যা হিসেবে দেখছেন।
আবার গত পাঁচ বছরে রাজ্যে দুর্নীতি বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রায় ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন দুর্নীতি একই রয়েছে। আর প্রায় ১১ শতাংশ বলেছেন দুর্নীতি হ্রাস পেয়েছে।
উত্তরদাতাদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছি, গত পাঁচ বছরে এলাকায় জিনিসপত্রে দাম বাড়া-কমা নিয়ে। এঁদের মধ্যে প্রায় ৬৭ শতাংশ বলেছেন দাম বেড়েছে। ২৩ শতাংশ বলেছেন, দাম একই রয়েছে। আর ৯ শতাংশ বলেছেন দাম কমেছে।

এনডিটিভির তরফে জানানো হয়েছে, ২০-২৮ এপ্রিলের মধ্যে ৮২ টি ভোট কেন্দ্রে ২১৪৩ জনের মধ্যে সমীক্ষা চালানো হয়। সেখানেই সব থেকে বেশি ২৮ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, দুর্নীতি নয় বেকারিই এই মুহূর্তে রাজ্যের সব থেকে বড় সমস্যা।
প্রসঙ্গত কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ১০ মে। ভোটগণনা করা বূে ১৩ মে। কর্নাটকে বিধানসভার ২২৪ টি আসনে একই দিনে নির্বাচন করা হবে। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে কংগ্রেসের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা। তবে জনতা দল সেকুলার এখানে কিং মেকারের ভূমিকা নিতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications