মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে কর্মসংস্থানের অভাব, দুই বাণে দেশের অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ মারাত্মক হবে, বলছে রিপোর্ট
মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে কর্মসংস্থানের অভাব, দুই বাণে দেশের অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ মারাত্মক হবে, বলছে রিপোর্ট
কোনও মতে একটু একটু করে মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছিল ভারতীয় অর্থনীতি। রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ আবার সেই ঘুরে দাঁড়ানোর পরিস্থিতি থমকে দিয়েছে। করোনা সংক্রমণের কারণে গোটা দেশের অর্থনীতি প্রবল ভাবে ধাক্কা থেকেছে মুদ্রাস্ফীতি এবং কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে। গত ২ বছরে ভারতে কাজ হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে জিনিসের দাম। যার জেরে যাকে বলে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস দশা।

২০২১ থেকে দেশে পাইকারি বাজারের মুদ্রাস্ফীতি রেকর্ড আকার নিয়েছিল। এক ধাক্কায় ৬ শতাংশ বেড়েছিল মুদ্রাস্ফীতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপোরেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। খাদ্য দ্রব্য, চাল-ডাল, ভোজ্য তেল সবের দামই আগুন। অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে সরষের তেলের দাম। সেই সঙ্গে বেড়েছে কাঁচা সবজি এবং চাল-ডালের দামও। খাদ্য দ্রব্যের মুদ্রাস্ফীতি এক ধাক্কায় ১৪ মাসে রেকর্ড বেড়েছে। ৫.৪৩ শতাংশ হয়ে গিয়েছে।
যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক আশা দেখিয়েছিল ২০২২-২৩-এ কমবে দেশের মুদ্রাস্ফীতি। ৪.৫ শতাংশে নেবে আসবে বলে জানিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। কিন্তু এদিকে মুডিজ ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করবে দেশের অর্থনীতিতে। শুধু চাল-ডাল-শাক-সবজিই নয় মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে শুরু করেছে মাছ-ডিম-মাংসের দামও বাড়তে শুরু করেছে হু হু করে। কাজেই এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় অর্থনীতির ঘুড়ে দাঁড়ানো একটু কঠিন হয়ে দাঁড়াবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ইতিমধ্যেই মোদী সরকার তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পদক্ষেপ করেছে কিন্তু ইউক্রেন এবং রাশিয়ার যুদ্ধ এক প্রকার মোদী সরকারের সব প্রচেষ্টা মাটি করতে চলেছে।
সংসদ অধিবেশনে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন তেলের দাম কমানোর জন্য মোদী সরকার সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতির বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সূত্রের খবর রাশিয়া থেকে কম দামে তেল কিনতে চলেছে মোদী সরকার। তাতে আমেরিকার রোষে পড়তে পারেন মোদী। কারণ ইউক্রেনের উপর হামলার অভিযোগে রাশিয়ার সঙ্গে একাধিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে আমেরিকা সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের একাধিক দেশ।
হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, তেলের কোম্পানি গুলির সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে গাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সেই সঙ্গে
রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনারও চেষ্টা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications