ইউজিসির কড়া পদক্ষেপ, ডিফল্টার তালিকায় দেশের ৫৪ বিশ্ববিদ্যালয়
ভারতের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বড়সড় পদক্ষেপ নিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)। তথ্য প্রকাশে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে দেশের মোট ৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিফল্টার ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ এর ধারা ১৩ অনুযায়ী, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি সক্রিয় ওয়েবসাইটে জনসমক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করতে হয়। সেই নির্দেশ মানেনি বহু প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের ১০ জুন ইউজিসি যে নির্দেশিকা জারি করেছিল, তার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল- বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে একটি কার্যকরী ওয়েবসাইট চালু রাখতে হবে। ছাত্রছাত্রী ও অংশীদারদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে সহজলভ্য থাকতে হবে। নির্দিষ্ট ফরম্যাটে সফট কপি সহ নথি জমা দিতে হবে। হোমপেজে দৃশ্যমান লিঙ্ক সহ সমস্ত তথ্য আপলোড করতে হবে। তবে, একাধিকবার ইমেল ও অনলাইনে বৈঠকের মাধ্যমে মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এই নির্দেশ মানেনি। তাই ইউজিসি নোটিশ জারি করে অবিলম্বে নিয়ম মানার জন্য চাপ দিয়েছে। সংস্থার দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য তথ্যের স্বচ্ছতা ও ছাত্রছাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করা।

ডিফল্টার তালিকাভুক্ত কিছু উল্লেখযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে। যেমন অ্যামিটি বিশ্ববিদ্যালয় (পটনা, রাঁচি, মোহালি), কৃষ্ণগুরু আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয়, সিভি রমন বিশ্ববিদ্যালয় (বৈশালী), দেব সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় (ছত্তিশগড়), ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ লিগ্যাল এডুকেশন (গোয়া),
আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় (ভোপাল), টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ত্রিপুরা), স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় (উত্তর ২৪ পরগনা),এছাড়াও একাধিক সিকিম ও মণিপুর ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের মোট ৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিফল্টার ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।
ইউজিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক কথায়, দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার শক্ত হাতে লাগাম টানল ইউজিসি।












Click it and Unblock the Notifications