Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

UGC New regulation: উপাচার্য-শিক্ষক নিয়োগের নিয়মে বড় বদল, শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি? ইউজিসির খসড়ায় বিতর্ক

UGC New regulations: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য ও শিক্ষক (Vice Chancellor and Faculty) নিয়োগের নিয়মে সম্প্রতি বড়সড় বদল আনছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ওরফে ইউজিসি। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মে আমূল পরিবর্তনের একটি খসড়া বিধিও প্রকাশ করেছে তারা। আর এনিয়েই ফের মাথাচাড়া দিয়েছে বিতর্ক।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় (Education System) পাহাড় সমান বদল এনে তা কেন্দ্রীয় সরকারের কুক্ষিগত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের যুগ্ম তালিকায় (Concurrent List) রয়েছে শিক্ষা। কিন্তু নতুন খসড়া বিধিতে রাজ্যের সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগে আচার্যের ভূমিকা কার্যত বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

teacher

এমনকি সার্চ কমিটিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের কোনও প্রতিনিধি রাখা হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্যপালই (Governor) হন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য (Chancellor)। রাজ্যপালকে নিয়োগ করে কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে উপাচার্য নিয়োগেও যে কেন্দ্রেরই হাত থাকবে তা সন্দেহাতীত।

ইউজিসির নতুন খসড়া বিধিতে এও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য শিক্ষা জগতের ব্যক্তি ছাড়াও নিয়োগ হতে পারে। অর্থাৎ শিল্প জগত, প্রশাসন, নীতি নির্ধারক ইত্যাদি ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ট পেশাদার ব্যক্তিরাও এবার থেকে উপাচার্য হতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

পিএইচডি ডিগ্রি ও পড়ানোর নির্দিষ্ট বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলেও উপাচার্য পদে তাকে নিয়োগ করা যাবে বলে জানিয়েছে ইউজিসি। শিক্ষকদের নিয়োগ ও তাদের পদোন্নতির (Promotion) নিয়মেরও বদলের প্রস্তাব এনেছে ইউজিসি (UGC)।

তবে বিতর্কের সূত্রপাত যেখানে তা হল উক্ত প্রস্তাবগুলি যদি বাস্তবায়ন করা হয়, সেক্ষেত্রে উপাচার্য নিয়োগে রাজ্য সরকারের আর কোনও ভূমিকা থাকবে না। শিক্ষা জগতের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর অবমাননা করা হবে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তাদের মতে, কেন্দ্রীয় তালিকার ৬৬ নম্বরে বলা আছে উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা করবে কেন্দ্র। কিন্তু তার মানে রাজ্যের অধিকার খর্ব করে কেন্দ্রের চাপানো নীতি মেনে নেওয়ার কোনও নিয়ম বলা নেই।

রাজ্য বিধানসভার অনুমোদনে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়। রাজ্যেরই অনুদানে যাবতীয় কাজকর্ম চলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। যুগ্ম তালিকায় শিক্ষা রাখা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজকর্মে কোনও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ইউজিসিকে দেওয়া হয়নি এতদিন। উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে এমনিতেই অবিজেপি সরকারের রাজ্যগুলিতে বারবার বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে।

উপাচার্য পদে বসে বারবার বিতর্কেও জড়িয়েছেন অনেক রাজ্যপাল। যার জেরে রাজ্যপালের থেকে উপাচার্য পদের ক্ষমতা কেড়ে নিতে চেয়েছে অনেক রাজ্যই। কিন্তু ইউজিসির নতুন খসড়াতে সেই ক্ষমতাই রাজকীয়ভাবে রাজ্যপালকে ন্যস্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই ইউজিসির নতুন খসড়ার তীব্র বিরোধিতা করেছে একাধিক রাজ্যের সরকার। সিলেবাস বদল (Syllabus Change) থেকে শুরু করে এবার সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নিয়ন্ত্রণের রাশ কেন্দ্র হাতে নিতে চাইছে বলে দাবি করেছে বিরোধী দলগুলিও।

রাজনৈতিক মহলের মত, ইউজিসির এই সিদ্ধান্ত, বলা ভালো কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ কায়েম করবে। আর তাই ইউজিসির এহেন সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করবে বলে জানিয়েছে অবিজেপি রাজ্য সরকারগুলিও।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+