নিজ রাজ্যে করোনা জয়ের পর এবার মহারাষ্ট্রের দিকে সাহায্যের হাত বাড়াল কেরল!
দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পরেছিল কেরলে। এরপর কয়েকদিনের পরেই কেরল টেক্কা দিতে শুরু করেছিল মহারাষ্ট্র। ক্রমেই কেরলকে পিছনে ফেলে সংক্রমণের তালিকায় শীর্ষে চলে যায় সেই রাজ্য। এখনও পর্যন্ত অন্য সব রাজ্যের থেকে কয়েকগুণ বেশি করোনা কেস লক্ষ্য করা গিয়েছে মহারাষ্ট্রে। এহেন অবস্থায় মহারাষ্ট্রকে সাহায্য করতে এগিয়ে এল কেরল।

মডেল রাজ্য : কেরল
কেরলে একসময় করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছিল ব্যপক হারে। তবে পিনারাই বিজয়নের প্রশাসনের তৎপরতায় তা নিয়ন্ত্রণে আসে খুব শীঘ্রই। এছাড়া অসুস্থ মানুষদের সুস্থ করে তোলার ক্ষেত্রেও বেশ ভালো কাজ করেছে কেরল। যারপর এই করোনা আবহে কেরল হয়ে ওঠে একটি মডেল রাজ্যের মতো।

করোনা আক্রান্তের নিরিখে ৫০ হাজারের গণ্ডি পার মহারাষ্ট্রের
এদিকে মহারাষ্ট্রে কোভিড ১৯-এর থাবা ক্রমেই জাঁকিয়ে বসেছে। দেশের মধ্যে করোনার জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। ইতিমধ্যে সেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫০ হাজারের গণ্ডি। এর মধ্যে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত মুম্বই। তারপরেই সব থেকে বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে সেরাজ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পুনে। দেশের এক তৃতীয়াংশরও বেশি কেস এখন মহারাষ্ট্রে।

মহারাষ্ট্রে চিকিৎসক ও নার্স পাঠাবে কেরল
এহেন পরিস্থিতিতে কেরল সরকার মহারাষ্ট্রকে সাহায্য করতে ৫০ জন চিকিৎসক ও ১০০ জন দেওয়ারর প্রস্তাব করে কেরল। সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রে ৫০ হাজার ২৩১ জন করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত। ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে ১৬৩৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মুম্বই থেকে বেশি সংক্রমিতের খবর মিলেছে। এখনও করোনা আক্রান্ত রয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।

বিমান পরিষেবা নিয়ে দোনামোনা মহারাষ্ট্রে
এদিকে গত সপ্তাহে, ঘরোয়া উড়ান চালু করার ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার, তবে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে, কারণ মহারাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছে, কেন্দ্রের পরিকল্পনার সঙ্গে চলতে ইচ্ছুক নয় তারা। যদিও বিমান চালু নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যেতে পারবে না তারা, তবে সে রাজ্যে বিমান থেকে নামতে দেওয়া হবে না যাত্রীদের।

উদ্ধব ঠাকরের বক্তব্য
মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে এই বিষয়ে বলেন, 'আগামী ১৫ দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক মানুষের চলাফেরা হবে বলে মনে করা হচ্ছে, ফলে আরও আক্রান্ত হবে। সুতরাং ধীরে ধীরে পরিষেবা চালু করা উচিত। আমরা এখনই লকডাউন তুলব না। আমরা বলতে পারি না ৩১ মে লকডাউন শেষ হয়ে যাবে। বর্ষায় সময় অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।'












Click it and Unblock the Notifications