সংসদে অমিত শাহ-চিদাম্বরমরা 'পাশাপাশি'! ইউএপিএ বিল পাসে বেআব্রু বিরোধী অনৈক্য
সংসদে কার্যত পাশাপাশি অমিত শাহ এবং বিরোধী পি চিদাম্বরম, দিগ্বিজয় সিংরা। পাশ হয়ে গেল ইউএপিএ বিল।
সংসদে কার্যত পাশাপাশি অমিত শাহ এবং বিরোধী পি চিদাম্বরম, দিগ্বিজয় সিংরা। পাশ হয়ে গেল ইউএপিএ বিল। বিলে আরও কড়া ধারার সংস্থান রাখা হয়েছে। বিতর্কে অংশ নেন, উল্লিখিত নেতারা। বিলের পক্ষে ১৪৭ টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে পড়ে ৪২ টি ভোট। বিলটির পক্ষে কংগ্রেস ছাড়াও ভোট দিয়েছে টিআরএস, বিজেডি, টিডিপি এবং এআইএডিএমকে। অন্যদিকে রাজ্যসভায় বিলের বিপক্ষে যারা ভোট দিয়েছে তারা হল, সিপিএম, সিপিআই, ডিএমকে, আরজেডি, এসপি, এনসিপি, পিডিপি এবং ইউইউএমএল। বিলের বিরোধিতায় ছিল তৃণমূল কংগ্রেসও।

সংসদে পাস ইউএপিএ সংশোধনী বিল
রাষ্ট্রপতির সই হয়ে গেলেই এবার আর কোন সংগঠন নয়, এবার ব্যক্তিকেও সন্ত্রাসবাদী চিহ্নিত করতে পারবে সেই আইন। লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও বিলটি পাশ হয়ে যায়। পক্ষে ভোট দেয় কংগ্রেস। যদিও তারা একটা সময় বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি করেছিল। তবে তা ১০৪-৮৫ ভোটে খারিজ হয়ে যায়। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ওয়ান সরকার বিলের বর্তমান চেহারা দেয়। রাজ্যসভায় বিলটি নিয়ে কংগ্রেসের একাধিক পদক্ষেপ তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময় কার্যত কোনও উত্তর দিতে পারেননি পি
চিদাম্বরম, দিগ্বিজয় সিংরা।

'বিশ্বাসঘাতক' কংগ্রেস
প্রথমে বিলের প্রতিবাদ করেও পরে সমর্থন করায় কংগ্রেসকে অনেকেই বিশ্বাসঘাতক বলেও অবিহিত করেন। মানবাধিকার কর্মী থেকে শুরু করে আইনজীবীদের একাংশ এই বিল পাশকে গণতন্ত্রের অন্তর্জলি যাত্রা বলে বর্ণনা করেছেন। সিপিএম সাংসদ করিম টুইটে বলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, দেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জঙ্গি কিংবা সন্ত্রাসবাদী বলার প্রবণতা বেড়ছে। মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার বন্দি করে রেখেছে ভারভারা রাও সুধা ভরদ্বাদজের মতো সমাজকর্মীদের।

কংগ্রেসের সাফাই
তবে বিলের পক্ষে তাদের দেওয়া ভোট নিয়ে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করেছে কংগ্রেস। তাদের মতে একসময়ে তাদের তৈরি আইনে এই সংশোধনীতে মত না দিলে জঙ্গি সমর্থক তকমা দিয়ে প্রচারে নামত বিজেপি। প্রসঙ্গত ২০০৮ সালে পাশ হওয়া সংশোধনীতেই আইনটিকে দানবীয় করা হয়েছিল। গত একদশকের কিছু বেশি সময়ে এই আইনের জেরে দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন বহু মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications