করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার দু’বছর পর বাড়ি ফিরলেন মধ্যপ্রদেশের এক ব্যক্তি
বিশ্বে এমন অনেক ঘটনা মাঝে মধ্যে ঘটে যা শুনে আমরা অনেক সময়েই অবাক হয়ে যাই যে এমন ঘটনাও ঘটতে পারে। এবার এমন এক ঘটনার খবর শোনা গেছে যা শুনে রীতিমত অবাক হচ্ছেন দেশবাসী।
জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে করোনায় আক্রান্ত হয় গুজরাতের ভাদোদরায় এক ৩১ বছরের ব্যক্তি মারা যান। তারপর কেটে গেছে দু’বছর। এখন সেই ব্যক্তিকে মধ্যপ্রদেশ থেকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

কীভাবে ঘটল ঘটনাটি
জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম কমলেশ প্রতিদার। যখন বিশ্ব জুড়ে যখন চলছে করোনার ঢেউ, সেই সময় কোভিডে আক্রান্ত হয়ে বহু মারা গেছেন। সেই সময় করোনা সংক্রমণের হার দেখলে ভয়ে কাঁটা দিত দেশবাসীর। সেই সময়ই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান কমলেশ প্রতিদার। তিনি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর পরিবার তাঁকে ভাদোদরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। তবে ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও সেই সময় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

কী জানালেন কানওয়া থানার স্টেশন ইনচার্জ
কানওয়া থানার স্টেশন ইনচার্জ রাম সিং রাঠৌড় জানান, পরিবারের সদস্যদের থাকে জানা গেছে, ২০২১ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন কমলেশ প্রতিদার। গুজরাতের ভদোদরায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। হাসপাতালের চিকিৎসক তাঁকে 'মৃত' বলে ঘোষণা করেন। এরপর হাসপাতালের তরফে 'দেহ' পরিবারের হাতে হস্তান্তরিত পর্যন্ত করা হয়। পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেছিলেন।

কবে ঘটে ঘটনাটি
পয়লা বৈশাখের দিন, ১৫ এপ্রিল কমলেশ সকাল ৬ টার সময়ে কারোদকালা গ্রামে এক আত্মীয়র বাড়িতে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, যা দেখে অবাক হয়ে যান আত্মীয় স্বজনরা। কমলেশের এক ভাই মুকেশ বলেন, কমলেশ এখন বাড়ি ফিরেছেন ঠিকই, তবে এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন তা এখনও জানা যায়নি। আর নিজেও সেকথা জানা যায়নি।
তবে, এই প্রথমবারই নয়, ২০২০ সালে পশ্চিমবঙ্গের এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হয়ে যাওয়ার পরও শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার হয়ে যাওয়ার পরেও সে ব্যক্তি বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। পরে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের কর্মীরা ভুল করে অন্য রোগীর সঙ্গে এই রোগীর রিপোর্ট মিলিয় দিয়েছিলেন।

কী জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রক
ক্রমেই দেশে বেড়ে চলেছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ররিবার দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৩ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সক্রিয় কেসের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ হাজার ৫৪২ জন। মোট কেসের হার দাঁড়িয়েছে ০.১৩ শতাংশ।

কী জানালেন দিল্লির এইমসের প্রাক্তন ডিরেক্টর
যদিও দিল্লির এইমসের প্রাক্তন ডিরেক্টর ডাঃ রণদীপ গুলেরিয়া শনিবার জানিয়েছেন, দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ঠিকই, তবে এই নিয়ে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নেই।












Click it and Unblock the Notifications