সন্দেহজনক কার্যকলাপ! সাসপেন্ড আরিয়ান খানের ড্রাগ মামলার তদন্তে যুক্ত ২ আধিকারিক
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের (Shahrukh Khan) পুত্র আরিয়ান খানের (Aryan Khan) মাদক মামলায় তদন্তকারী দুই আধিকারিক বিশ্ববিজয় সিং এবং আশিসরঞ্জন প্রসাদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (NCB) এই দুই আধিকারিকের বিরুদ্
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের (Shahrukh Khan) পুত্র আরিয়ান খানের (Aryan Khan) মাদক মামলায় তদন্তকারী দুই আধিকারিক বিশ্ববিজয় সিং এবং আশিসরঞ্জন প্রসাদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (NCB) এই দুই আধিকারিকের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক কার্যকলাপে জড়িতে থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত
সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এনসিবির ভিজিল্যান্স টিমের তরফে দাবি করা হয়েছে, বিশ্ববিজয় সিং এবং আশিসরঞ্জন প্রসাদ উভয়েই সন্দেহজনক কাজে লিপ্ত ছিলেন। সেই কারণে এই সাসপেন্ড।

কারণ স্পষ্ট নয়
বিশ্ববিজয় সিং যখন ক্রুজ ড্রাগস মামলায় তদন্তকারী অফিসার ছিলেন, সেই সময় আশিসরঞ্জন প্রসাদ তাঁর সহকারী ছিলেন। তবে এই দুই তদন্তকারীর সাসপেন্ড-এর কারণ জানা যায়নি। তবে অনেকেই বলছেন ক্রুজ মামলায় তাদের ভূমিকার জন্য ওই দুই অফিসারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে এব্যাপারে এখনও কোনও নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

এনসিবির এসআইটিতে সাতটি মামলার স্থানান্তর
এনসিবির বিরুদ্ধে তকোলাবাজির অভিযোগ ওঠার পর থেকে, ক্রুজ ড্রাগস মামলা-সহ সিটকে পাঁচটি মামলা স্থানান্তর করা হয়েছিল। একজন ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেলের অধীনে একটি ভিজিল্যান্স তদন্তও শুরু করা হয়েছিল। যেখানে বিশ্ববিজয় সিং এবং আশিসরঞ্জন প্রসাদ-সহ বেশ কয়েকজন আধিকারিকের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছিল।

৩ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় গ্রেফতার ২০
২০২১-এর ৩ অক্টোবরে মুম্বইয়ের আন্তর্জাতিক ক্রুজ টার্মিনালে অভিযান চালায় এনসিবি। সেখান থেকই আরিয়ন খানকে গ্রেফতার করা হয়। মুম্বই থেকে গোয়া পর্যন্তচ ক্রুজে অভিযান চালিয়ে এনসিবি ১৩ গ্রাম কোকেন, ৫ গ্রাম মেফেড্রোন, ২১ গ্রাম চরস, ২২ টি এমডিএমএ এবং এক্সট্যাসি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় মোট ২০ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে আরিয়ান-সহ ১৮ জন জামিনে মুক্ত রয়েছেন। শাহরুখ খানে ছেলের বিরুজ্ঝে নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্টেন্সেস আইনের ধারা ৮ম, ২০, ২৭ এূং ৩৫-এর অধীনে এই মামলা করা হয়েছিল। দীর্ঘ ২৬ জিন হাজতে থাকার পরে ২৮ অক্টোবর বম্বে হাইকোর্ট এঁদের জামিন দেয়।
এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে মুম্বই উপকূলের একটি জাহাজে অভিযান চালান। একটি টিপ অফ পাওয়ার পরে জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে সেখানে যান। তবে এনসিবির আধিকারিকরা ছিলেন যাত্রীর ছদ্মবেশে। আরিয়ান খান-সহ বেশ কয়েরজনকে গ্রেফতার করে এনসিবি। অ্যারেস্ট মেমোতে আরিয়ান খানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ব্যবহার, বিক্রি এবং কেনার জন্ গ্রেফতার করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications