মহাদেব অ্যাপ মামলায় টুইস্ট! জেল থেকে ইডির ডিরেক্টরকে চিঠি 'কুরিয়ারে'র
ছত্তিশগড়ে মহাদেব বেটিং অ্যাপ মামলায় টুইস্ট। ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী এখন পিছিয়ে যাচ্ছে। জেল থেকে তিনি ইডির ডিরেক্টরকে লেখা চিঠিতে বলেছেন, তিনি কখনও রাজনীতিবিদদের নগদ সরবরাহ করেননি। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন কুরিয়ার অসীম দাস।
উল্লেখ্য যে মহাদেব বেটিং অ্যাপ মামলায় ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের বিরুদ্ধে ৫০৮ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছত্তিশগড় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের চারদিন আগে অসীম দাস নামে ওই ব্যক্তিকে পাঁচ কোটি টাকার নগদ-সহ গ্রেফতার করা হয়। ইডি সেই সময় অসীম দাসকে কুরিয়ার বলে দাবি করে, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীকে ৫০৮ কোটি টাকা দেওয়ারও অভিযোগ করে।

অসীম দাস ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীকে টাকা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জেল থেকে ইডির ডিরেক্টরকে দেওয়া চিঠিতে তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। ইডির আধিকারিকরা তাঁকে ইংরেজিতে একটি বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেছিল। যেখানে তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন, সেখানে থাকা ভাষা তিনি বোঝেন না বলেও দাবি করেছেন।
ইডির ডিরেক্টরকে দেওয়া চিঠিতে অসীম দাস দাবি করেছেন, অবৈধ অ্যাপটির পরিকল্পনাকারী শুভম সোনি ও তাঁর ছোটবেলার বন্ধু। সোনির চাপে পড়েই চলতি বছরের অক্টোবরে তিনি দুবাই গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।
চিঠিতে অসীম দাস লিখেছেন, শুভম সোনি ছত্তিশগড়ে একটি নির্মাণ ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী ছিলেন তাঁকে (অসীম) তাঁর (সোনি) জন্য কাজ করতে বলেছিলেন। অসীম দাস বলেছেন, তিনি যেদিন রায়পুর বিমানবন্দরে নামেন, তখন তাঁকে একটি গাড়ি নিয়ে ভিআইপি রোডের একটি হোটেলে চেক ইন করতে বলা হয়েছিল।
তিনি আরও দাবি করেছেন, তাঁকে একটি নির্দিষ্টস্থানে গাড়ি পার্ক করতে বলা হয়েছিল। সেখানেই এক ব্যক্তি পরে নগদের ব্যাগ রাখেন বলে দাবি করেছেন মহাদেব অ্যাপ মামলায় জেলে থাকা অসীম দাস। তিনি বলেছেন, তাঁকে ফোনে হোটেলের ঘরে ফিরে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে ইডির আধিকারিকরা সেই ঘরে গিয়ে তাঁকে নিয়ে যান। সেই সময় তিনি বুঝতে পারেন ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি কখনই টাকা বা অন্য কোনও সহায়তা দেননি।
এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংযুক্ত আরব আমীরশাহিতে দুশো কোটি টাকার বিবাহ অনুষ্ঠানের পরে মহাদেব অ্যাপের বিষয়টি তদন্তকারী আধিকারিকদের নজরে আসে। ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের একজন আগে দাবি করেন, হাওয়ালা সিন্ডিকেট চালাতে পুলিশ ও রাজনীতিবিদ ও আমলাদের এই অ্যাপে অংশীদারিত্ব দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ করা প্রয়োজন, বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুর এবং শ্রদ্ধা কাপুর এই অ্যাপের বিজ্ঞাপনে হাজির হয়েছিলেন। যে কারণে ইডি তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications