টুইন টাওয়ার ভাঙতে ব্যবহার করা হবে ৩৭০০ কেজির বিস্ফোরক, কাজ সম্পন্ন হবে ১০ সেকেন্ডে
রিয়েল এস্টেট ফার্ম সুপারটেক লিমিটেডের তৈরি নয়ডা টুইন টাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলা হবে। কয়েক সপ্তাহ ধরে তা ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি চলছে। অ্যাপেক্স এবং সিয়ান নামের টাওয়ার বিস্ফোরক দিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হবে৷ ২৮ অগাস্ট, রবিবার দুপুর ২.৩০এ তা ধ্বংস করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে নয় থেকে দশ সেকেন্ড সময় নেবে৷

আলোচনা করে তৈরি হয়েছে পরিকল্পনা
সংলগ্ন সোসাইটিগুলির বাসিন্দাদের মধ্যে - এমারল্ড কোর্ট এবং এটিএস ভিলেজ - এবং ধ্বংসকারী সংস্থা এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং, নয়ডা পুলিশ, ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি বৈঠকে ধ্বংসের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়৷

নয়ডা টুইন টাওয়ার কীভাবে ভেঙে ফেলা হবে
১০০ মিটারের একটু বেশি পরিমাপের নয়ডা টুইন টাওয়ারগুলি আক্ষরিক অর্থে একটি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। পুরো কাজ ১৫ সেকেন্ডেরও কম সময়ে শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ধ্বংস প্রক্রিয়া একটি নিয়ন্ত্রিত ইমপ্লোশন কৌশলের মাধ্যমে করা হবে যার জন্য ৩৭০০ কেজির বেশি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হবে। জানা যাচ্ছে এটি ভেঙে ফেলার পর ৫৫হাজার টন ধ্বংসাবশেষ পরে থকবে। এমারল্ড কোর্ট এবং এটিএস ভিলেজ সোসাইটিগুলিতে সর্বাধিক প্রভাব অনুভূত হবে বলে মনে করা হচ্ছে, যা ধ্বংসের স্থানের কাছাকাছি রয়েছে৷

কী বলছে রিপোর্ট ?
রিপোর্ট অনুযায়ী, সুপারটেক টুইন টাওয়ারের বেসমেন্ট থেকে উপরের তলা পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার গর্ত করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই বিস্ফোরক চার্জ করা হয়েছে। বিস্ফোরকগুলির 'চার্জিং' হল টাওয়ারের কংক্রিটে ড্রিল করা ৯৪০০টি গর্তে ৩৭০০ কেজি বিস্ফোরক প্যাক করার যে প্রক্রিয়া তা সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তত ১০০ জন শ্রমিক ধ্বংসকারী দলের অংশ হিসাবে কাজ করছে।

সুপারটেক টুইন টাওয়ার ধ্বংস ও দূষণ
প্রকল্পের কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রস্তুত করা অনুমান অনুসারে, এপেক্স (৩২ তলা) এবং সিয়ান (২৯ তলা) ভেঙে ফেলার ফলে প্রায় ৩৫ হাজার ঘনমিটার ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করা হবে এবং বিপুল পরিমাণ ধুলো চারিদিকে ছড়িয়ে পড়বে। নয়ডা কর্তৃপক্ষের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা) ইশতিয়াক আহমেদ বলেছেন, ২১ হাজার কিউবিক মিটার ধ্বংসাবশেষ সরানো হবে এবং শহরের ওয়ার্ক সার্কেল সেভেন সীমার পাঁচ থেকে ছয় হেক্টর পরিমাপের বিচ্ছিন্ন জমিতে তা ফেলা হবে এবং অবশিষ্ট রাবিশ বেসমেন্ট এলাকায় স্থান পাবে।
আঞ্চলিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের কাছ থেকে এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে যা একটি আঞ্চলিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড পরীক্ষা করছে। ধ্বংসাবশেষ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি রিপোর্ট পরীক্ষা করছে বলে আহমেদ জানিয়েছেন। এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতে, ধ্বংসের ফলে একটি ৬০ তলা বিল্ডিংয়ের মতো উচ্চতায় একটি ধুলোর বেলুন তৈরি হবে। তাই আশপাশের এলাকাকে দূষণ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications