দু’বার নেগেটিভ, পিএইচি করতে এসে ভারতে মৃত্যু তানজানিয়ার বাসিন্দার, সন্দেহ কোভিড–১৯
পিএইচি করতে এসে ভারতে মৃত্যু তানজানিয়ার বাসিন্দার
তানজানিয়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার জন্য তিনি এসেছিলেন ভারতে। এখানে গুজরাতের এমএস বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার কাজ করতেন। কিন্তু কখনই কেউ ভাবেননি তাঁর সঙ্গে এরকম নির্মম পরিহাস হবে। এমাউনুয়েল হ্যারিসন নাগোই, যিনি কোভিড–১৯ পজিটিভ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, রবিবার রাতে মারা গেলেন জিএমইআরএস গোত্রি হাসপাতালে।

৩৪ বছরের নাগোই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইকোনমিক্স অফ দ্য ফ্যাকাল্টি অফ কমার্সে ডক্টরেট করছিলেন। একমাস আগেই তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। জানা গিয়েছে যে তিনি তানজানিয়াতে লেকচারার ছিলেন এবং পিএইচডি করবেন বলে ছুটি নিয়ে ভারতে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক অধ্যাপক ধনেশ প্যাটেল বলেন, 'কিছুদিন ধরেই নাগোইয়ের শরীর ভালো ছিল না এবং তিনি যখন কোভিড–১৯–এর টেস্ট করান তখন তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।’ তবে নাগোইয়ের কোভিড–১৯–এর চিকিৎসা চলছিল কারণ তাঁর ভাইরাল ফিভার সহ করোনার সব উপসর্গ ছিল।
প্যাটেল জানিয়েছেন, প্রথমে নাগোইয়ের চিকিৎসা চলছিল আটলানডারার যজ্ঞপুরুষ হলে এরপর তাঁকে স্থানান্তর করা হয় জিএমইআরএস গোত্রি হাসপাতালে। কারণ তাঁর অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। প্যাটেল বলেন, 'হাসপাতালে উপলব্ধ সব সম্ভাব্য চিকিৎসা করা হয়। আমরা তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং এই মৃত্যুর বিষয়ে জানিয়েছি। নাগোইয়ের অক্সিজেন সম্পৃক্ততা কমেই কমে যাচ্ছিল বিপাপ মেশিন থাকা সত্ত্বেও। চিকিৎসার সময়ও তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। রবিবার রাতে গোত্রি হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর।
হাসপাতাল সূত্রের খবর, নিয়মানুযায়ী কোনও ব্যক্তির রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে সেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্যাটেল জানিয়েছেন, পরিবার নাগোইয়ের দেহ তানজানিয়া নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। দিল্লিতে তানজানিয়ার দূতাবাসও পরিবারকে সাহায্য করছে। নাগোইয়ের বাড়িতে তাঁর অভিভাবক ও ছোট বোন রয়েছেন। নাগোইকে তাঁর বোন মেসেজ করে দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছিলেন। প্যাটেল জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরিবার ও হাই কমিশন উভয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications