গডসেকে অস্ত্র পেতে সাহায্য করেছিলেন সাভারকর! মহাত্মা গান্ধীর হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক তুষার গান্ধী
বিনয়ক দামোদর সাভারকার নাথুরাম গডসেকে জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করতে একটি দক্ষ বন্দুক খুঁজে পেতে সহায়তা করেছিলেন। এমনটাই দাবি করেছেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। যদি বিজেপির মহারাষ্ট্র শাখা তুষার গান
বিনয়ক দামোদর সাভারকার নাথুরাম গডসেকে জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করতে একটি দক্ষ বন্দুক খুঁজে পেতে সহায়তা করেছিলেন। এমনটাই দাবি করেছেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। যদি বিজেপির মহারাষ্ট্র শাখা তুষার গান্ধীর এই মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
|
তুষার গান্ধীর অভিযোগ
রবিবার এক টুইটে তুষার গান্ধী বলেন, সাভারকার শুধু ব্রিটিশদের সাহায্য করেননি, তিনি নাথুরাম গডসেকে বাপুকে হত্যার জন্য বন্দুক খুঁজে পেতেও সাহায্য করেছিলেন। কেননা বাপু হত্যার দুদিন আহে পর্যন্ত নাথুরামের হাতে কোনও ভরসার অস্ত্র পর্যন্ত ছিল না। তুষার গান্ধী আরও বলেছেন, শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরে এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের ঠাকুরদাদা প্রবোধনকর ঠাকরে মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আগেই সতর্ক করেছিলেন।
|
নিশানা আরএসএসকেও
তুষার গান্ধী এব্যাপারে সনাতনী হিন্দু সংগঠনের নেতা সাভারকার ছাড়াও আরএসএস-এর প্রতিষ্ঠা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৩০-এর দশকে বাপুর ওপরে একাধিকবার হামলার চেষ্টা করা হয়। আকোলা, বিদর্ভে বাপুকে হত্যার ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক করে তাঁর প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন প্রবোধনকর ঠাকরে। তারপরে তিনি সনাতনী হিন্দু সংগঠন ও তাদের নেতৃত্বকে এব্যাপারে বিরত থাকতে জনসাধারণের উদ্দেশে সতর্কতা জারিও করেন।
টুইটে তুষার গান্ধী বলেন, সাভারকার এবং হেডগেওয়ার ছিলেন সনাতনি হিন্দুদের নেতা। সেই কারণেই প্রবোধনকর ঠাকরে তাদেরকে সতর্ক করেছিলেন। শিবসেনাকে (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) এই ইতিহাস সম্পর্কে মনে রাখতে হবে।

মন্তব্য ভিত্তিহীন
তুষার গান্ধীর মন্তব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মহারাষ্ট্র বিজেপি মুখপাত্র কেশব উপাধ্যায় বলেন, আদালত এই মামলায় রায় দিয়েছে এবং সাভারকারকে এই ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্ত করা হয়েছে। তারপরেও কিছু লোক সাভারকারের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মন্তব্য করে সমাজকে বিভ্রান্ত করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই বিজেপি নেতা।
|
রাহুলের নিশানায় সাভারকার
প্রসঙ্গত তুষার গান্ধী মহারাষ্ট্রে ভারত জোড়ো যাত্রায় রাহুল গান্ধীর পাশে হাঁটেন। রাহুল গান্ধী সেই সময় মন্তব্য করেন, এক হিন্দুত্ব মতাদর্শী ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিলেন এবং জেলে থাকার সময় ক্ষমার আবেদন করে চিঠি লিখেছিলেন। রাহুলের মন্তব্যের পরেই তুষার গান্ধীর এই মন্তব্য যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications