বিয়েবাড়িতে ঢুকে বিয়ে পণ্ড করার অভিযোগ, সাসপেন্ড করা হল ত্রিপুরার সেই জেলা শাসককে
সাসপেন্ড করা হল ত্রিপুরার সেই জেলা শাসককে
কিছুদিন আগেই বিয়ের বাড়িতে ঢুকে বিয়ে বানচাল করে দেওয়ায় রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ত্রিপুরার পশ্চিম জেলা শাসক শৈলেশ কুমার যাদব। সেই শৈলেশ কুমার যাদবকেই সাসপেন্ড করে দিল রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, কোভিড–১৯ নিয়ম ভঙ্গ করে জমায়েত করায় বিয়েবাড়িতে মাঝপথে ঢুকে বিয়ে পণ্ড করে দেন এই জেলা শাসক, যার ভিডিও ব্যাপতভাবে ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর ঠিক একদিন পরই তাঁকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ আসে। যদিও জেলা শাসকের এই কাণ্ড নেটিজেনদের কাছে যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছিল।

গত সপ্তাহের গোড়ার দিকে জেলা শাসক শৈলেশ কুমার যাদব তাঁর এই পদক্ষেপ নেওয়ার কারণ কমিটির কাছে বিশ্লেষণ করে। ত্রিপুরার মুখ্যন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের নির্দেশে ২ জন শীর্ষ আইএএস অফিসার সমন্বয়ে এই প্যানেল গঠন করা হয়। যাদব সেই কমিটিকে বলেছিলেন, 'আইন–শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোভিড–১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ করা আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ছে। আমি সেই রাতে যা করেছি তার পক্ষেই রয়েছি।’ এরপরই বিধায়ক আশিষ সাহা ও সুশান্ত চৌধুরি সহ বেশ কিছু বিজেপি নেতা যাদবের বহিস্কার করার দাবি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বিজেপি সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক জানিয়েছেন যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে নববধূর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয় জেলা শাসক শৈলেশ কুমার যাদবের বিয়ের অনুষ্ঠানের মাঝে ঢুকে বিয়ে ভণ্ডুল করার ভিডিওটি। এই ঘটনাটি ঘটে আগরতলায়। ত্রিপুরার দেশীয় প্রোগ্রেসিভ রিজিওনাল অ্যালায়েন্সের চেয়ারম্যান প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মার অনুষ্ঠানের বাড়িতে এই বিয়ে চলছিল। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, যাদব নববধূ, বর, তাঁদের পরিবার ও অতিথিকে বিয়ের বাড়ি ছাড়ার দ্রুত নির্দেশ দেন। এমনকী তিনি পুলিশকে এও নির্দেশ দেন যে কোভিড–১৯ নিয়ম ভঙ্গ করার জন্য অতিথিদের গ্রেফতার করা হোক। তাঁর অফিস থেকে বিয়ের অনুমতির কাগজ দেখানো হলে সেই কাগজ ছিঁড়ে ফেলে দেন জেলা শাসক। যদিও তিনি পরের দিন সাংবাদিকদের বলেন, 'গত রাতের ঘটনায় যদি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে বা কোন সম্প্রদায়কে আঘাত দিয়ে থাকি তবে আমি ক্ষমা চাইছি। কিন্তু গতরাতে যেটা করেছি তা শুধুই মানুষের কল্যানার্থে। আমার কাউকে আঘাত বা অপমান করার লক্ষ্য ছিল না।’












Click it and Unblock the Notifications