Tripura TMC: তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদে ইস্তফা, ফের সঙ্কটে ভিনরাজ্যে মমতার দলের সংগঠন
তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদে ইস্তফা দিলেন পীযুষকান্তি বিশ্বাস। এর ফলে ফের একবার সঙ্কট তৈরি হল ভিনরাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সংগঠনে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভিনরাজ্যে তৃণমূলের বিস্তারের স্বপ্ন আবারও ধাক্কা খেল। মঙ্গলবার পীযুষকান্তি বিশ্বাস জানিয়েছেন ব্যক্তিগত সমস্যার কারমে তিনি পদত্যাগ করেছেন।
২০২৩-এ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছিলেন পীযূষকান্তি বিশ্বাস। কিন্তু ৬ মাস কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণ দর্শিয়ে তিনি পদত্যাগ করলেন। সেইসঙ্গে টুইট করে তিনি দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, "আমি ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতির পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করছি। অনুগ্রহ করে এটি গ্রহণ করুন।" তৃণমূল সুপ্রিমো প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্বোধন করা চিঠিতে এই আবেদন করেছেন পীযুষকান্তি বিশ্বাস।
তিনি বলেন, "আমি আমার ব্যক্তিগত কিছু সমস্যার কারণে গত কয়েক মাস ধরে সংগঠনে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারিনি। পারিবারিক কিছু সমস্যা আছে। কোনও কিছু নিয়ে কাজ না করে দলীয় প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হওয়া ভালো নয়। তাই, আমি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
তবে কি অন্য কোনও দলে যোগদান করছেন তিনি? সেই প্রশ্নের উত্তরে পীযুষকান্তি বিশ্বাস বলেন, "আমি এখন কিছু সিদ্ধান্ত নিইনি। শুধু আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। কোনও সিদ্ধান্ত হলে আপনাদের জানাব। তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা শুরু হয়েছে।
পীযুষকান্তি বিশ্বাস ত্রিপুরার উচ্চ আদালতের একজন সিনিয়র আইনজীবী। ২০১৯ সালে সালে তাঁকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। দু'বছর পরে তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেয় কংগ্রেস। এরপর তিনি তাঁর নিজের দল ত্রিপুরা ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট তৈরি করেন। সেই দলকে তৃণমূলের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে তিনি ২০২৩ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এবং একইসঙ্গে দলের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।












Click it and Unblock the Notifications