'ত্রিপুরায় দাঙ্গা বাঁধাতে এসেছিল ওরা' দুই মহিলা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ ত্রিপুরার মন্ত্রীর
'ত্রিপুরায় দাঙ্গা বাঁধাতে এসেছিল ওরা' দুই মহিলা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ ত্রিপুরার মন্ত্রীর
ত্রিপুরায় গ্রেফতার দুই মহিলা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন বিপ্লব দেবের মন্ত্রী। ত্রিপুরায় নাকি দাঙ্গা বাঁধাতে এসেছিলেন দুই মহিলা সাংবাদিক এমনই অভিযোগ করেছেন, ত্রিপুরার তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের হয়ে রাজ্যে এসেছিল দুই মহিলা সাংবাদিক এমনই দাবি করেছেন তিনি। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন ওই দুই মহিলা সাংবাদিক ষড়যন্ত্র করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে খেপিয়ে তুলছিল।

রবিবার রাতেই ত্রিপুরায় গ্রেফতার করা হয়েছিল দুই মহিলা সাংবাদিককে। সমৃদ্ধি সাকুিনয়া এবং স্বর্ণ ঝাঁ নামে দুই মহিলা সংবাদিককে গ্রেফতার করেছিল ত্রিপুরা পুলিশ। একজন ওড়িশার বাসিন্দা অপরজন দিল্লির বাসিন্দা। এই নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। এডিটরস গিল্ড এই নিয়ে তীব্র নিন্দা করেছিল। ত্রিপুরা পুলিশের অভিযোগ ওই দুই মহিলা সাংবাদিক ত্রিপুরায় মসজিদ ভাঙচুরের ভুয়ো খবর সম্প্রচার করে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। মসজিদের কোরান পোড়ানো হয়েছে বলে খবর সম্প্রচার করেছিলেন তিনি। অসমের করিমগঞ্জের নিলম বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
তারপরেই আগরতলায় দুই মহিলা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারপরেই আগরতলায় দই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতরও শুরু হয়েছে। দুই সাংবাদিকের গ্রেফতারির ঘচনা নিয়ে ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে আবার বিজেপি মন্ত্রী দাবি করে বসেছেন এই ঘটনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিপ্লব দেব সরকার। ত্রিপুরায় দাঙ্গা বাধানোর জন্য এই দুই সাংবাদিককে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ত্রিপুরায় বিশেষ নজর দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরায় পুরভোটে একাধিক জায়গায় প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে চলেছে বিজেপি। একের পর এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী আহত হয়েছিলেন। পুরভোটের তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীকেও পুলিশের হাতে হেনস্থা হতে হয়েছে। একের পর এক ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির সংঘাত চরমে উঠেছে ত্রিপুরায়। সেকারণে বিজেপি মন্ত্রী দুই মহিলা সাংবাদিকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এক প্রকার তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। এই নিয়ে যদিও কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের নাম করেনি বিজেপি। তবে গত কয়েকদিন ধরে যে চরম রাজনৈতিক চাপান উতোর তৈরি হয়েছে ত্রিপুরায় তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। যদিও তেমন করে অশান্তি ছড়ানোর সুযোগ পায়নি। কড়া হাতে পুিলশ পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে।












Click it and Unblock the Notifications