ত্রিপুরা পুরভোট: ২১ নম্বর ওয়ার্ডে আক্রান্ত তৃণমূল প্রার্থী লিটন দেব, বুথে বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ
ত্রিপুরা পুরভোট: ২১ নম্বর ওয়ার্ডে আক্রান্ত তৃণমূল প্রার্থী লিটন দেব, বুথে বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ
পুরভোট ঘিরে উত্তেজনা ত্রিপুরার একাধিক জায়গায়। আগরতলার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী লিটন দেবকে মারধরের অভিযোগ। বিজেপির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। অন্যদিকে বাধারঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে। কোনও ভাবেই বিজেপি এই ঘটনায় জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেত্রী অস্মিতা বনিক। তিনি পাল্টা দাবি করেছেন ত্রিপুরায় উৎসবের মেজাজে ভোট হচ্ছে। তৃণমূলের গোষ্ঠিদ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

গত এক মাস ধরেই ত্রিপুরায় পুরভোট নিয়ে উত্তেজনা চলছে। একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটছিল বলে অবিযোগ। শাসক দলের নির্যাতন দেখেও পুলিশ চুপ করে ছিল বলে অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিক জায়হায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের প্রচার করতে দেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। থানায় এই নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে উল্টে পুলিশ তাঁকে থানা থেকে চ্যাংদোলা করে বের করে দেয় বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল সেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর উপর পুলিশি নির্যাতনের ছবি।
সুপ্রিম কোর্টে পুরভোটের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। গতকালই ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশন ত্রিপুরার সব বুথকে স্পর্শ কাতর হিসেবে ঘোষণা করেছিল। প্রতিবুথে নজরদারি জন্য কেন্দ্রীয় বাগিনী এবং ত্রিপুরা পুলিশের জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশ এবং প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মানুষ যাতে সুষ্ঠু এবং অবাধে ভোট দিতে পারে সেদিেক নজর রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে পুরভোট শুরুর পর থেকেই আগরতলার সহ ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় অশান্তি শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টদের মারধর থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর উপর হামলা চালানো হচ্ছে। আগরতলায় ৪২নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে মারধর করা হয়। মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারপরেই আগরতলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী লিটন দেবের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। একাধিক বুথে তৃণমূল কংগ্রেেসর এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমনকী সিপিএমের কর্মী সমর্কদের উপরেও একাধিক জায়গায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাঁদের পাল্টা দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। বাধারঘাটেও তৃণমূল কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications