ত্রিপুরায় সংখ্যালঘু মুসলিম ভোট টানতে ব্যর্থ তৃণমূল, সর্বত্রই জয়জয়কার বিজেপির
ত্রিপুরাতে সংখ্যালঘু মুসলিম ভোট টানতে ব্যর্থ তৃণমূল
বঙ্গবিজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী টার্গেট ছিল ত্রিপুরা। বিপ্লবের গেরুয়া রাজ্যে ঘাসফুল ফোটাতে কম কসরত করেনি পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল। তবে সেসবই বৃথা। প্রতিবেশী রাজ্যের পুরভোট দেখিয়ে দিল, বাংলার মানুষ দু'হাত ভরে তৃণমূলকে আশীর্বাদ করলেও ত্রিপুরাতে ঘাসফুলের জমি তৈরি হয়নি! এমনকি যে মুসলিম অধ্যূষিত আসনে জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল তৃণমূল, সেখানেও জিতেছে বিজেপি।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশ মনে করেন, গোটাদেশে বিজেপি জয়লাভ করে মূলত হিন্দু ভোটের জোরে। যে সমস্ত অঞ্চলে মুসলিম ভোট বেশি, সেখানেই বিজেপি বিরোধী জিগির তোলা সম্ভব। এমনটা ভেবেই ত্রিপুরার সোনামুড়া, মেলাঘরকে নিশানা করেছিল তৃণমূল। দু'টি পুরুসভাতেই ১৩টি করে আসন। আর প্রত্যেকটিই মুসলিম অধ্যূষিত। এই সোনামুড়া থেকেই প্রচার শুরু করে তৃণমূল। বাংলার মতোই ত্রিপুরাতেও তাদের পরিকল্পনা ছিল মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ককে সম্বল করে চলা।
তবে সেই ভাবনাই সার। বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র৷ সাফল্য দূর অস্ত, একটি আসনেও জেতেননি তৃণমূল প্রার্থীরা। ১৩ টি আসনেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। একদা যে মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক মানিক সরকারের নেতৃত্বাধীন বামেদের দখলে ছিল, সেই ভোটব্যাঙ্ক ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল তৃণমূল। তবে সে সবই যে দিবস্বপ্ন তা ফের দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গেল। জনতার রায়ে নিরঙ্কুশ সাফল্য পেল বিজেপি।
গোটা রাজ্যের চিত্রটাও একইরকম। রবিবার সকালে ভোট গণনার শুরু থেকেই ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে স্রেফ উড়ে গিয়েছে বাম ও তৃণমূল৷ আগরতলা কর্পোরেশন, পুরসভা, সাব্রুম, কুমারঘাট, বিলোনিয়াতেও জনতার রায় গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের দিকেই।












Click it and Unblock the Notifications