প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল আদতে 'প্রহসন', জেপিসিতে কোনও সদস্য মনোনীত করছে না তৃণমূল

প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল পর্যালোচনার জন্য গঠিত যৌথ সংসদীয় কমিটিকে (জেপিসি) "প্রহসন" বলে ব্যাখ্যা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একইসঙ্গে জানিয়েছে, তাঁরা এই কমিটিতে কোনও সদস্য পাঠাবে না।

বুধবার লোকসভায় ২০২৫ সালের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (সংশোধন) বিল, ২০২৫ সালের সংবিধান (১৩০ তম সংশোধন) বিল এবং ২০২৫ সালের জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধন) বিল পেশ করা হয়েছিল। এই বিলগুলি পরবর্তীতে সংসদের যৌথ কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস এক বিবৃতিতে বলেছে, "আমরা ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিলের প্রবর্তন পর্যায়েই এর বিরোধিতা করছি এবং আমাদের মতে, জেপিসি একটি প্রহসন। তাই, আমরা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কাউকে মনোনীত করছি না।"

প্রস্তাবিত আইনগুলি গুরুতর অভিযোগে টানা ৩০ দিন গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের অপসারণের জন্য একটি আইনি কাঠামো সরবরাহ করে। বাদল অধিবেশন শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই বিলগুলি পেশ হওয়ায় বিরোধী দলগুলি রীতিমতো ক্ষুব্ধ।

এই বিল পেশের পরই লোকসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিলের প্রতিলিপি ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং শাসক ও বিরোধী জোটের সদস্যরা বাদানুবাদে লিপ্ত হন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যখন তিনটি খসড়া আইন পেশ করেন, তখন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান।

জেপিসিতে লোকসভা থেকে ২১ জন এবং রাজ্যসভা থেকে ১০ জন সদস্য থাকবেন। কমিটিকে শীতকালীন অধিবেশনে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+