কৃষি ভবনে অভিষেক-সহ তৃণমূলের মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়কদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি! চ্যাংদোলা করে বাসে তুলল পুলিশ
এদিন কৃষি ভবন থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানিয়েছেন, প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী বেলা বারোটায় সাক্ষাতের সময় দিয়েছিলেন। পরে সেই সময় পরিবর্তন করে সন্ধে ছটা করা হয়। কিন্তু সাড়ে সাতটার পরেও মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে দেখা করেননি।
অন্যদিকে সরকারি তরফে জানানো হয়েছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কৃষি ভবনে যাওয়া তৃণমূলের মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়কদের ৪০ জন প্রতিনিধি নয়, পাঁচজনের সঙ্গে মন্ত্রী দেখা করবেন, তার বেশি কারও সঙ্গে দেখা করবেন না। কিন্তু অবস্থানে অনড় থাকেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপর বিশাল পুলিশ বাহিনী কৃষিভবনে প্রবেশ করে। সেই সময় কৃষিভবনের ভিতরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাঁদেরকে পুলিশের তরফে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু না শোনায় একে একে চ্যাংদোলা করে সেখান থেকে বের করা হয়।
তৃণমূলের মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়কদের কৃষিভবন থেকে বের করার পরে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে তোলা হয়। তাঁদেরকে মুখার্জি নগরের উৎসব সদনে নিয়ে যাওয়া হয় বলেই জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও'ব্রায়েন-সহ দুই ডজনের বেশি তৃণমূল সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে তৃণমূলের নেতামন্ত্রীদের আটক করে কৃষিভবনের সামনে থেকে নিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে বিক্ষোভ দেখান বেশ কিছু তৃণমূলের কর্মী সমর্থক। পুলিশ লাঠি উচিয়ে তাঁদেরও সরিয়ে দেয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, গরিব মানুষের কথা বললেও, দুপক্ষের কারও সমস্যা মেটানোর ইচ্ছা নেই। না হলে অনায়াসেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি ৪০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। আবার তৃণমূলও ইচ্ছা হলেই ৫ জন প্রতিনিধিতেই রাজি হয়ে যেতে পারত।












Click it and Unblock the Notifications