টুইন টাওয়ার ভাঙার আগেই বন্ধ হবে এক্সপ্রেসওয়ে, তৈরি হল গ্রিন করিডর
আর হাতে ঘণ্টা দুয়েক। তারপরেই ভেঙে ফেলা হবে নয়ডার টুইন টাওয়ার। এর জন্য় নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে ৩০ মিনিটের জন্য বন্ধ থাকবে। ধ্বংসের বিস্ফোরণের আগে ১৫ মিনিট থেকে শুরু ১৫ মিনিটের পরেও বন্ধ থাকবে এক্সপ্রেসওয়ে। সুপারটেক টুইন টাওয়ার আজ বিকেলের পরে মধ্যে ভেঙে ফেলা হবে, তার আগে সিনিয়র ট্রাফিক পুলিশ অফিসার গণেশ সাহা এমনটাই বলেছেন।

সব দিক থেকে তৈরি ট্রাফিক পুলিশ
তিনি বলেন, "সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে, এবং আমাদের পরিকল্পনাটি কার্যকর করা হয়েছে। আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা মিডিয়াকর্মী এবং আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের জন্য পার্কিং এলাকা নির্ধারণ করেছি। টাওয়ারের কাছাকাছি ট্রাফিক সকাল সাতটা থেকে ডাইভার্ট করা হচ্ছে।"

এক্সপ্রেসওয়ে কখন বন্ধ করা হবে
নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ে কখন বন্ধ করা হবে সে বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে গণেশ সাহা বলেন যে, "আমরা বিস্ফোরণের ১৫ মিনিট আগে এই রাস্তা বন্ধ করে দেব। বিস্ফোরণের সময় চূড়ান্ত করা হয়েছে, তবে যদি শেষ মুহূর্তের কোনও পরিবর্তন ঘটে তবে আমরা সেই অনুযায়ী সময় ব্যালেন্স করব। ধুলো কমে গেলে আমরা এই রাস্তা আবার চালু করার পরিকল্পনা করছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়ে ৩০ মিনিটের জন্য বন্ধ থাকবে, তবে এটি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।"

জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলা
ট্রাফিক অফিসার যেকোনও জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলায় করা ব্যবস্থার তালিকাও করেছেন। "যেকোনও জরুরি অবস্থার জন্য দশটি হাসপাতালকে চিহ্নিত করা হয়েছে। একটি গ্রিন করিডোরও প্রস্তুত করা হয়েছে যদি কাউকে এলাকা থেকে দ্রুত বেরোতে হয়, তার জন্য এই ব্যবস্থা। আমরা এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ কর্মীদের প্রস্তুত করার জন্য একটি ড্রাই রান পরিচালনা করেছিলাম। সেই অনুযায়ী এবার কাজ হচ্ছে"

যেভাবে ভাঙা হবে টাওয়ার
বিশাল টাওয়ারের স্তম্ভগুলিতে প্রায় ৩৭০০ কেজি বিস্ফোরক লাগানো হয়েছে এবং জলপ্রপাত ইমপ্লোশন কৌশল ব্যবহার করে নিচে নামানো হবে, যার মানে আক্ষরিক অর্থে ধ্বংসাবশেষ জলের মতো পড়ে যাবে। বিস্ফোরণটি দুপুর আড়াইটেয় শুরু করা হবে, একজন কর্মকর্তা এমনটাই জানিয়েছেন। এটি ধসে পড়তে নয় সেকেন্ড সময় লাগবে এবং ধুলো থিতু হতে প্রায় ১২ মিনিট সময় লাগবে। ধ্বংসের ফলে যে দূষণ হতে পারে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
জানা গিয়েছে যে দুটি পার্শ্ববর্তী বিল্ডিং থেকে ইতিমধ্যেই সমস্ত বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বেসরকারী নিরাপত্তা রক্ষীরা দুপুর ১টার মধ্যে চলে যাবে। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (সেন্ট্রাল) রাজেশ এস এমনটাই বলেছেন। এছাড়াও, পর্যবেক্ষণের জন্য সাতটি নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং দুটি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) দলকে স্ট্যান্ডবাইতে রাখা হয়েছে।
পুলিশ টাওয়ারগুলি থেকে ৪৫০ মিটার দূরে একটি মিনি কন্ট্রোল রুম বসিছে। এক সিনিয়র অফিসার বলেছেন, ট্রাফিক ডাইভারশন পয়েন্টগুলি সকাল ৭টায় সক্রিয় করা হয়েছিল। বিল্ডিং আইন লঙ্ঘনের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গত বছর টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ তা ভেঙে ফেলে হবে।












Click it and Unblock the Notifications