লকডাউন শিথিল হতেই অফিসে যাওয়ার হিড়িক, বেঙ্গালুরুর রাস্তায় জাম!
লকডাউন শিথিল হতেই অফিসে যাওয়ার হিড়িক, বেঙ্গালুরুর রাস্তায় জাম!
ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও তামিলনাড়ুতে। এরসঙ্গে গুজরাতেও পরিস্থিতি খারাপের দিকে। মহারাষ্ট্রে ও দিল্লিতেই যথাক্রমে ৫০০০, ২০০০ এর বেশি করোনা আক্রান্ত। দিল্লিতে ৮০ এ বেশি এলাকাকে কনটেইমেন্ট জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েও নিয়ন্ত্রণহীন করোনা
লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েও কোনও ভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না দেশের করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি। এরই মধ্যে সোমবার থেকে কিছুক্ষেত্রে লকডাউনে ছাড় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত স্থানে কোনও রকমের ছাড় দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। এছাড়া রবিবারই ছাড় দেওয়ার বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে।

লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত কর্নাটকের
এরই মধ্যে বেশ কিছুদিনের টালবাহানা পর অবশেষে বৃহস্পতিবার লকডাউনের নিয়মাবলী শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয় কর্নাটক সরকার। বেসরকারি চিকিৎসালয় থেকে ছুতোর, কলসারাই মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান থেকে মেকানিক - ছাড় পেয়ে কাজে ফিরতে পেরে খুশি প্রত্যেকেই।

বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক জাম
এরই মধ্যে কাজে যাওয়ার হিড়িকের মধ্যে বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন এলাকায় এদিন জাম লক্ষ্য করা যায়। আইটি সেক্টরের অফিসগুলিতে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার পরই দেশের আইটি হাব হিসাবে পরিচিত বেঙ্গালুরুতে মানুষ অফিসে যাওয়ার জন্য রাস্তায় নামে। শহরের হোয়াইটফিল্ড ও মাইসোর রোডে বিশেষ ভাবে দেখা যায় এই জাম।

কী কী খুলেছে কর্নাটকে?
এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অদরকারী ভ্রমণ, বন্ধ ছিল সবই। কর্নাটকে এদিন ১১টি জেলায় প্রশাসনিক দপ্তর খুলেছে। আইটি সংস্থাগুলিতে শুধুমাত্র অতি গুরুত্বপূর্ণ কর্মচারীরাই কাজ করতে পারবেন। বাকিদের বাড়ি বসেই কাজ করতে হবে বলেও জানায় ইয়েদুরাপ্পা সরকার। ধাপে ধাপে রাজ্যের অর্থনীতির বেহাল দশাকে সারিয়ে তুলতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications