সরকারের অনুমান করা সংখ্যার চেয়ে মহারাষ্ট্রে সক্রিয় করোনা রোগী অনেক বেশি, তবে কম মৃতের হার

মহারাষ্ট্রে সক্রিয় করোনা রোগী অনেক বেশি

মহারাষ্ট্রের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ক্রমেই চিন্তা বাড়িয়ে চলেছে। গত বছরের কোভিড–১৯ কেসের ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল মহারাষ্ট্রের নাম। এবারও সেই দিকেই এগোচ্ছে রাজ্য। শনিবার রাজ্যের মোট করোনা কেসের সংখ্যা দাঁড়িয়ে রয়েছে ২৯.‌৫ লক্ষে এবং একনও পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫৫,৬৫৬।

হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি

হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি

বিএমসির অতিরিক্ত কমিশনার সুরেশ কাকানি জানিয়েছেন যে মুম্বইতে করোনা কেসের সংখ্যা ৯ হাজারের বেশি হলে মৃত্যুর হার অনেক কম। তিনি বলেন, '‌একদিনে ২৭টি মৃত্যু নিয়ে মৃত্যুর হার ০.‌২৭-এর চেয়ে কম। আমরা সজাগ রয়েছি। আমাদের প্রধান প্রধান হাসপাতালগুলিকে কোভিড রোগীর যত্নের জন্য শয্যা সংখ্যা বাড়াতে বসলেছি এবং করোনার লক্ষণ থেকে শুরু করে রোগীর ভর্তি পর্যন্ত সব নোট করে তার ওপর কাজ করতে বলা হয়েছে হাসপাতালগুলিকে।'‌

 বিএমসির অনুমানের চেয়ে বেশি করোনা কেস

বিএমসির অনুমানের চেয়ে বেশি করোনা কেস

শনিবার রাজ্যে মোট সক্রিয় মামলাগুলি জনস্বাস্থ্য বিভাগের ১০ দিন আগে যে অনুমান করা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশি ছিল। স্বাস্থ্য বিভাগের জারি করা ২৩ মার্চের বিজ্ঞপ্তির অনুমান অনুযায়ী, ৪ এপ্রিল রাজ্যে ২৮.‌৪ লক্ষ কেসে পৌঁছাবে, ৬৪,৬১৩ জনের মৃত্যু হবে এবং ৩ লক্ষ সক্রিয় কেস সনাক্ত হবে। এই অনুমানের চেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ এপ্রিল গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৯.‌৫ লক্ষে এবং সক্রিয় করোনা কেস অতিক্রম করেছে ৪ লক্ষ। শুধুমাত্র অনুমান করা মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা কম। বিএমসির এক শীর্ষ অধিকর্তা বলেন, '‌রাজ্যে মৃতের হার (‌সিএফআর)‌ ও সাপ্তাহিক বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে করা হয়েছে। করোনা টেস্ট বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে করোনা প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে। হ্রাস পেয়েছে সিএফআর।

শনিবার মুম্বইতে সর্বোচ্চ করোনা কেস ও মৃত্যু

শনিবার মুম্বইতে সর্বোচ্চ করোনা কেস ও মৃত্যু

মুম্বই মেট্রোপলিটন রিজিয়ন (‌এমএমআর)‌ শনিবার যোগ করেছে ১৫,৮৮৯টি করোনা কেস ও ৫৮টি মৃত্যু একদিনে, যা রাজ্যে সর্বোচ্চ। মুম্বইতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়ে রয়েছে ৯.‌৩ লক্ষে এবং মৃতের সংখ্যা ২০,৫৭৮।

কল্যাণ–ডোম্বিভালি এলাকায় কোভিড পরিস্থিতি

কল্যাণ–ডোম্বিভালি এলাকায় কোভিড পরিস্থিতি

কল্যাণ-ডোম্বিভালি এলাকায় শনিবার একদিনে সর্বোচ্চ করোনা কেস ধরা পড়েছে ১,২৪৪ এবং ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেডিএমসির স্বাস্থ্য অধিকর্তা বলেছেন, '‌২টি শহরেই করোনা কেসের সংখ্যা বাড়ছে, তবে স্বস্তির বিষয় হল করোনায় রোগীর মৃত্যুর হার ১.‌৫ শতাংশের কম রয়েছে।'‌ নাসিক জেলার অভিভাবক মন্ত্রী ছগন ভুজবাল জেলার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সন্তুষ্ট নন ডাঃ রত্না রাওখাণ্ডের কাজে, যে কারণে তাঁর অনুরোধে রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী রাজেষ টোপে রাওখাণ্ডেকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+