বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের 'লাদাখ' আক্রমণ ভোঁতা করতে চাল বিজেপি সরকারের
সোমবার থেকে শুরু হবে সংসদের বাদল অধিবেশন। আর সেই অধিবেশনে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করার জন্য ইতিমধ্যেই তালিকা প্রস্তুত রেখেছে কংগ্রেস। একাধিক ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধতে তৈরি কংগ্রেস। এই সমস্ত ইস্যুর মধ্যে অন্যতম লাদাখে চিন সীমান্ত সংঘাত এবং ফেসবুক কাণ্ড। তবে সূত্রের খবর, লাদাখ সীমান্ত সংক্রান্ত কোনও আলোচনা সংসদে করবে না সরকার।

লাদাখ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ কংগ্রেসের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর থেকে লাদাখ সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে কংগ্রেস বিবৃতি চাইবে বলে জানা গিয়েছিল। এর আগে প্রধানমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন যে চিন লাদাখে জমি দখল করেনি। একইসঙ্গে তিনি এও বলেছিলেন, যে ভারতের কোন সেনা চিনের বন্দি হয়নি। কিন্তু পরবর্তী সময় দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। কংগ্রেস সেই প্রতিক্রিয়াই এবার সংসদে চাওয়ার জন্যে কোমর কষছিল।

বাদল অধিবেশনে থাকছে না প্রশ্নোত্তর পর্ব
তবে এবারের বাদল অধিবেশনে থাকছে না প্রশ্নোত্তর পর্ব। প্রতিদিন চার ঘণ্টার জন্য সংসদে অধিবেশন বসবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, বাদল অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব না রাখায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। সাধারণত সংসদ অধিবেশনের আগে এক ঘন্টা চলে প্রশ্নোত্তর পর্ব। বিরোধী সাংসদদের প্রশ্নের জবাব দিতে হয় সরকার পক্ষের সাংসদদের। তবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনে নেই প্রশ্নোত্তর পর্ব। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনায় সরব হয়েছেন বিরোধীরা। তবে প্রশ্নোত্তর পর্ব না থাকলেও আলোচনা তো হতেই পারে!

লাদাখ বিষয় নিয়ে এখনই কোনও আলোচনা নয়
তবে সরকার সূত্রের খবর, লাদাখ বিষয় নিয়ে এখনই কোনও আলোচনা জনসমক্ষে করা হবে না। বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িয়ে। তাই এখনই সরকারের এই বিষয়ে কোনও স্ট্র্যাটেজি জনসমক্ষে প্রকাশ পেলে তা শত্রুপক্ষকে সাহায্য করবে। এই কারণেই সংসদে এই বিষয়ে কোনও আলোচনা করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

সংসদ অচল হওয়ার একটি সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে
তবে লাদাখ সীমান্তে চিনের হামলা ছাড়াও কংগ্রেসের হাতে ছিল ফেসবুক বিতর্কের মতো ইস্যু। এই সব নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। এবার সেই আক্রমণ সংসদের মধ্যে করতে মরিয়া ছিল তারা। তবে প্রশ্নোত্তর পর্ব না থাকায় সরকারকে এই বিষয়ে বিঁধতে অসুবিধায় পড়তে হবে কংগ্রেসকে। সেক্ষেত্রে সংসদ অচল হওয়ার একটি সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।

করোনা-বেকারত্ব ইস্যুতেও সরব হবে কংগ্রেস
এই ইস্যুর পাশাপাশি দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করবে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, দেশের ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একেবারেই ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র। এর পাশাপাশি দেশের বেকারত্বের হার, অর্থনৈতিক সংকট, পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা, সবকিছু নিয়েই আলোচনা করতে উদ্যোগী হবে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications