ভারতের জলসীমায় ঢুকতে যাচ্ছিল চিনা যুদ্ধজাহাজ !পেশীশক্তি থেকে যুদ্ধবিদ্যায় এরপর কীভাবে মাত দেয় দিল্লি
'সূচাগ্র মেদিনী' যে ভারত ছাড়বে না , তা প্রথম থেকেই লাদাখে বুঝিয়ে দিয়েছে ১৩০ কোটির দেশ। করোনার আতঙ্কে যেখানে সারা বিশ্ব সন্ত্রস্ত সেখানে কেবলমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করতে জিনপিংএর দেশের আগ্রাসনকে একবিন্দু ছেড়ে কথা বলেনি দিল্লি। দেশে করোনার প্রবল সংহারেও, ড্রাগনের লেজ ছাঁটতে পিছপা হয়নি ভারত। আর স্থলভাগের পর জলপথেও যাতে চিনকে দমিয়ে রাখা যায়, তার জন্য নয়া স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে শুরু করেছে দিল্লি।

সমুদ্রপথের যুদ্ধনীতি!
কথায় বলে, বলপ্রয়োগের থেকে মানসিকভাবে শত্রুকে বিপর্যস্ত করার মধ্যেই আসল যুদ্ধনীতি লুকিয়ে রয়েছে। আর সেই মতোই ভারতীয় সেনা সমুদ্র পথেও চিনকে রুখে দেওয়ার বন্দোবস্ত করে যাচ্ছে। লাদাখের পর ভারতীয় সেনার তরফে এবার নৌসীমানাতেও কড়া বন্দোবস্তের পথে।

আগ্রাসন ও নৌসেনা মোতায়েন
লাদাখে যখন উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে, তখন থেকেই ভারতীয় নৌসেনা আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর আগলে রাখা শুরু করে দেয়। জানা গিয়েছে, যেভাবে ভারতীয় নৌসেনা সমুদ্রে নিজেদের মোতায়েনের ধাঁচ গড়েছিল, সেই 'পস্চারে' লালফৌজ ত্রস্ত ছিল। ফলে ভরাতের জলসীমায় সমুদ্রপথে যে বেজিং সুবিধে করতে পারবে না, তা স্পষ্ট করেছে দিল্লি।

ভারতের জলসীমায় ঢুকতে যাচ্ছিল চিনের যুদ্ধজাহাজ
এক সিনিয়র কমান্ডারের বক্তব্য তুলে ধরে দেশের এক সর্বভারতীয় সংবাদপত্র জানিয়েছে, ভারতের জলসীমায় ঢোকার চেষ্টা করেছিল চিনের এক যুদ্ধজাহাজ । লাদাখ সীমান্তে তখন উত্তেজনা আর রক্তপাত অব্যাহত। এদিকে, ইন্দোনেশিয়ার পথে ধরে চিনের যুদ্ধজাহাজ তখন ভারত মহাসাগরে উঁদি দিতে শুরু করে চিনা যুদ্ধজাহাজ। তবে ভারতের নৌসেনা 'পস্চারিং' দেখে শেষমেশ জাহাজটি ফিরে গিয়েছে বলে খবর।

ভারত কোমর বেঁধে নামছে
এদিকে, চিনকে রুখতে ভারতের স্ট্র্যাটেজিও কিছু কম নেই! সমুদ্রপথে নিজের দখলে থাকা ১০৬২ টি দ্বীপকে এবার ধীরে ধীরে চাঙ্গা করতে শুরু করেছে ভারত। ভারতের জলসীমায় থাকা এই দ্বীপগুলিতে ভারতের সার্বভৌমত্ব রয়েছে। আর এই দ্বীপগুলিতেই ভারত নিজের নৌসেনা আধিপত্য শক্তিশালী করছে।












Click it and Unblock the Notifications