উদ্ধবের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন, মমতার মতোই দিল্লির লক্ষ্যে এগোচ্ছেন কেসিআর

উদ্ধব সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন, মমতার মতো দিল্লি লক্ষ্যে এগোচ্ছে নামছে কেসিআর

তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে রবিবার ২০ ফেব্রুয়ারী তার মহারাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ উদ্ধব ঠাকরে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এমনটাই খবর তাঁর অফিস সূত্রে। কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের অফিস বলেছে যে, 'তিনি উদ্ধব ঠাকরেকে বলেছেন, আপনি ভাল কাজ করছেন। এই কাজ চালিয়ে যান। হাম আপকে সাথ হ্যায় অর্থাৎ আমরা আপনার সঙ্গে আছি।"

উদ্ধবের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন, মমতার মতোই দিল্লির লক্ষ্যে এগোচ্ছেন কেসিআর

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপির বিরুদ্ধে শক্তি একত্রিত করার জন্য কে চন্দ্রশেখর রাও বা কেসিআর তার মিশনে যে নেমে পড়েছেন তা স্পষ্ট। একদিকে বাংলা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম যেমন বারবার মূল বিরোধী হিসাবে উঠে আসছে সেই দলে এবার নাম লেখানোর চেষ্টায় তৎপর হয়েছেন কেসিআর। তিনি ফোনালাপের মাধ্যমে এই কাজ শুরু করলেন , তা স্পষ্ট।

কেসিআর ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী এবং শিবসেনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে মুম্বই যাওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেছেন। গতকাল তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার জনতা দলের (ধর্মনিরপেক্ষ) সমর্থন পেয়েছেন।
দেবগৌড়ার তাকে ফোন করেছিলেন এবং "সাম্প্রদায়িক" শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করেছিলেন।

দেবগৌড়ার পাশাপাশি তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর একাধিক বিরোধী নেতার সঙ্গে কথা বলছেন। গত কয়েক সপ্তাহে কে চন্দ্রশেখর রাও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের সঙ্গেও দেখা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হায়দ্রাবাদ সফর করবেন বলে জানিয়েছেন। মমতা ব্যানার্জি ইতিমধ্যেই বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের "রাজ্যপালদের দ্বারা ক্ষমতার অপব্যবহারের" অভিযোগে একত্রিত করার পরিকল্পনা করছেন৷ এবার সেই একই কাজে নামলেন কে চন্দ্রশেখর রাও শুধু ইস্যু ভিন্ন।

এর আগে তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও রবিবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে মাসে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রমাণ চান।

রাও বলেন, 'আমি আজও প্রমাণ চাইছি। ভারত সরকার দেখান প্রমাণ। বিজেপি মিথ্যা প্রচার করে তাই মানুষ এটা আজও জানতে চাইছে'। তিনি বলেন, 'বিজেপি রাজনৈতিকভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ব্যবহার করছে। সেনাবাহিনী সীমান্তে যুদ্ধ করছে।' যদি কেউ মারা যায়, তাহলে সে সেনা সদস্য, এবং তাদের কৃতিত্ব দেওয়া উচিত, বিজেপিকে নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রমাণের ইস্যুতে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন।সেই প্রসঙ্গেই রাও এই মন্তব্য করেন বলে জানা যায়।

শুক্রবার অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব শর্মা বলেন, 'এই লোকদের মানসিকতা দেখুন। জেনারেল বিপিন রাওয়াত ছিলেন দেশের গর্ব। তাঁর নেতৃত্বে ভারত পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল। রাহুল গান্ধী স্ট্রাইকের প্রমাণ চেয়েছিলেন। আমরা কি কখনও জিজ্ঞাসা করেছি? আপনি রাজীব গান্ধীর ছেলে কি না তা প্রমাণের জন্য? সেনাবাহিনীর কাছে প্রমাণ চাওয়ার অধিকার আপনার কী আছে?'

এরপর, তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী মূলত রাহুল গান্ধী সম্পর্কে বিশ্ব শর্মারর মন্তব্যের জন্য তাকে বরখাস্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি প্রধান জগৎ প্রকাশ নাড্ডাকে অনুরোধ করেছিলেন। কেসিআরকে পাল্টা আঘাত করে বিশ্ব শর্মা রাও খোঁচা দিয়েছিলেন এই বলে যে এটি ওদের নিম্ন মানসিকতার পরিচয় দেয়। বিশ্ব শর্মা বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি যে সেনাবাহিনীকে প্রশ্ন করা তারা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছে কি না তা সবচেয়ে বড় অপরাধ। তিনি (তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর) কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সম্পর্কে আমার মন্তব্যে উত্তেজিত হয়েছিলেন কিন্তু আমাদের সেনাবাহিনী সম্পর্কে রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে নয়'।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+