দিল্লিতে লাগাতার আন্দোলন জারি রাখতে জরুরি কর্মসমিতির বৈঠক তৃণমূলের
সুদীপের গ্রেফতারির প্রতিবাদে অলআউট আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল। কিন্তু কোন পথে সেই আন্দোলন দীর্ঘায়িত হবে, তা নিশ্চিত করতে এবার বৈঠকে বসছেন দলের সাংসদরা।
কলকাতা ও দিল্লি ৫ জানুয়ারি : চিটফান্ড-কাণ্ডে চারদিনের ব্যবধানে তৃণূলের দু'জন সাংসদকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। প্রতিবাদে অলআউট আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল। কিন্তু কোন পথে সেই আন্দোলন দীর্ঘায়িত হবে, তা নিশ্চিত করতে এবার বৈঠকে বসছেন দলের সাংসদরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় দিল্লির সংসদ ভবনে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্যরা এই জরুরি বৈঠকে বসবেন।
রাজ্যজুড়ে তো প্রতিবাদ আন্দোলন চলবে। কিন্তু দিল্লিতে কীভাবে আন্দোলন দীর্ঘায়িত করা যায়, অন্য কোনও বিরোধী দলকে পাশে পাওয়া যায় কি না, তা স্থির করতে চাইছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ পেয়ে এদিন তাই জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। আসলে তৃণমূল তাঁদের বিক্ষোভ-ধরনার মাধ্যমে লাগাতার আন্দোলন জারির পাশাপাশি চমকও রাখার চেষ্টা চলছে।

বুধবারই তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা দিল্লি পৌঁছে যান। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করেন। কিন্তু তৃণমূল সাংসদদের পথ আটকায় পুলিশ। দিল্লির তুঘলক রোড থানায় তাঁদের আটকে রাখা হয়। প্রতিবাদে থানাতেই ধরনা বসে পড়েন তৃণমূল সাংসদরা। সিঙ্গুরের ঢঙে গান গেয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন সাংসদরা।
মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, দিল্লিতে লাগাতার আন্দোলন জারি রাখতে হবে। তাই কী কর্মসূচি গ্রহণ করে তৃণমূল, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। নিশ্চয়ই তৃণমূল কোনও চমক রাখবে এই লাগাতার আন্দোলনে। এরই ফাঁকে ভোট পিছনোর দাবিতে নির্বাচন কমিশনে যাবেন তৃণমূল সাংসদরা।












Click it and Unblock the Notifications