২০২৩-এ ত্রিপুরা জয়ই পাখির চোখ তৃণমূলের! বাজিমাত করতে ১৫ ইস্যুকে হাতিয়ার
গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনে এবার লড়াই করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের পরবর্তী লক্ষ ত্রিপুরা। ত্রিপুরা-জয়ের লক্ষ্যে তৃণমূল এবার ১৫ ইস্যুকে হাতিয়ার করতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্য বেঁধে দেওয়ার পরই তৃণমূল আসরে নেমে পড়েছে।
গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনে এবার লড়াই করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের পরবর্তী লক্ষ ত্রিপুরা। ত্রিপুরা-জয়ের লক্ষ্যে তৃণমূল এবার ১৫ ইস্যুকে হাতিয়ার করতে চলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্য বেঁধে দেওয়ার পরই তৃণমূল আসরে নেমে পড়েছে। লক্ষ্য ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে বঙ্গভাষী ত্রিপপরায় সরকার গঠন করা।

তৃণমূল চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপিকে
২০২১-এর বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করার পরই তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় পা রেখেছিল। ইতিমধ্যেই তারা ত্রিপুরা পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে একপ্রস্থ লড়াই করেছে। সেই লড়াইয়ে হার হলেও তৃণমূল দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে ত্রিপুরায়। তারা এবার ত্রিপুরায় প্রথম শক্তি হওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপিকে।

১৫ ইস্যুতে শান দিয়ে চলেছে তৃণমূল
সম্র্ততি ত্রিপুরায় রাজভবন অভিযান করে তৃণমূল। সেখানে আইনশৃঙ্খলা থেকে কর্মসংস্থান-সহ একাধিক ইস্যুতে আন্দোলন শুরু করেছে তৃণমূল। মোট ১৫ দফা দাবিতে রাজভবন অভিযান করা হয়েছিল। সেই ১৫ দফা দাবিই এবার হয়ে উঠতে চলেছে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের হাতিয়ার। আর তাতেই শান দিয়ে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

অপশাসনকে এবার হাতিয়ার করছে তৃণমূল
তৃণমূলের দাবিকে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ। মহিলা নির্যাতন থেকে শুরু করে ধর্ষণ, খুন, ভাঙচুর, লুঠপাট, নিগ্রহের রাজনীতি চলছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিরোধী দল, এমনকী সাংবাদিক পর্যন্ত নিগৃহীত হচ্ছে। এই অপশাসনকে এবার হাতিয়ার করছে তৃণমূল কংগ্রেস।

বেকারত্ব-কর্মসংস্থান তৃণমূলের ইস্যু ত্রিপুরায়
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, রাজ্যে শিল্প নেই। কোনও কল-কারখানা হচ্ছে না, কর্মসংস্থান বন্ধ, রোজগারের ব্যবস্থা নেই। সরকারি শূন্যপদ পূরণ হচ্ছে না। বিগত চার বছর ধরে কোনও নিয়োগ হয়নি। বেকারত্ব ছেয়ে যাচ্ছে রাজ্যে। বেসরকারি সংস্থাকে কর্মী নিয়োগের বরাত দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের বেকারদের চাকরি জুটছে না, ভিনরাজ্যের প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

ত্রিপুরায় প্রতিশ্রুতি রাখেনি বিজেপি
সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, একশো দিনের কাজের মজুরি দ্বিগুণ করা হবে। ন্যূনতম ২০০ দিনের কাজ দেওয়া হবেও। কিন্তু মজুরিও বাড়েনি, একশো দিনের কাজ ২০০ দিনও হয়নি। এমনকী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়ক, আশাকর্মীরা নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন না। প্রতিশ্রুতিমতো চাকরি হারানো ১০৩২৩ জনকে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি।

তৃণমূল ক্ষমতায় এলে গ্রামীণ সড়ক কাঠামোয় জোর
প্রয়াত শিক্ষক-শিক্ষিকা পরিবারে একটি করে সরকারি চাকরি দিতে হবে। রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরে তুঘলকি রাজ বন্ধ করতে হবে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত মাশুল চাপিয়ে অযথা হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ মাশুল কমানোর বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, তৃণমূল ক্ষমতায় এলে গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হবে।

অনৈতিক কাজ বন্ধ করার উপর জোর তৃণমূলের
রাজ্যের পরবর্তী প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূল। বিজেপির আমলে শিক্ষার বেসরকারিকরণ হয়েছে, তা বন্ধ করে দিতে চায় তৃণমূল। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবাতেও জোর দিতে সরকারি হাসপাতালে থেকে রোগী রেফারের অনৈতিক কাজ বন্ধ করার উপর জোর দিয়েছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications