প্রতিবেশী রাজ্যে দলের সংগঠন বিস্তারে মরিয়া তৃণমূল, নির্দল সাংসদকে যোগদানের প্রস্তাব
প্রতিবেশী রাজ্যে দলের সংগঠন বিস্তারে মরিয়া তৃণমূল, নির্দল সাংসদকে যোগদানের প্রস্তাব
বাঙালি রাজ্য ত্রিপুরায় তৃণমূলের (trinamool congress) সংগঠন থাকলেও, মুকুল রায় বিজেপিতে (bjp) যোগ দেওয়ার পরেই সেই সংগঠন অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু সেই মুকুল রায় আবার তৃণমূলে ফিরেছেন। এবার ভিন রাজ্যে দলের বিস্তারের দায়িত্বে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (abhishek banerjee)। তিনি প্রতিবেশী রাজ্যে সংগঠন বাড়তে বাড়তি উদ্যোগ নিয়েছেন, সেই মতো কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।

রাজ্যের ক্ষমতা দখলে অভিষেকে লক্ষ্য
একটা সময়ে ভিন রাজ্যে সংগঠনের বিস্তারের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিয়েছিলেন মুকুল রায়কে। সেই মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়া তা থমকে গিয়েছিল। তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করে তৃতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পরে ভিন রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। সেই দায়িত্ব পেয়েই অভিষেক বলেছেন, তাঁদের লক্ষ্য কেবল তিনতারজন বিধায়ক জেতা নয়, তাদের লক্ষ্য হল সেই রাজ্যের ক্ষমতা দখল করা।

তৃণমূলের লক্ষ্য বেশ কয়েকটি রাজ্য
তৃণমূল তাদের সংগঠন বিস্তারে যেসব রাজ্যগুলিকে বেছে নিয়েছে, তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ত্রিপুরা। এরপর অসম। এরপর একে একে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র-সহ অন্য রাজ্যগুলি। ত্রিপুরা কিংবা অসমে তৃণমূলের অফিস ছিলই। অন্য রাজ্যগুলিতে নতুন করে অফিস খোলা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য দলগুলিতে তাদের মনোভাবা সম্পন্ন নেতাদেরও খোঁজ চলছে।

নির্দল সাংসদকে দলে যোগদানের প্রস্তাব
এনআরসি নিয়ে বিরোধিতা করতে অসমে ছুটে গিয়েছিলেন তৃণমূলের একাধিক সাংসদ। তাঁদের গুয়াহাটি বিমান বন্দর থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তারপর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে অনেক জল বেরিয়ে গিয়েছে। এবার সেই রাজ্যেরই এক নির্দল সাংসদকে তৃণমূলে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী সেই সাংসদ কোকড়াঝাড়ের। নাম নবকুমার সারানিয়া।

প্রস্তাবের কথা স্বীকার সাংসদের
কোকড়া থাড়ের নির্দল সাংসদ নবকুমার সারানিয়া, তাঁকে দেওয়া প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি পাশাপাশি বলেছেন, অসমের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাল। তাদের সঙ্গে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। তবে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের সময়ে এই বিষয়টি নিয়ে আরও বেশি করে আলোচনার সুযোগ রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের সময়ও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।












Click it and Unblock the Notifications