কর্মীদের বেতন না দিতে পারলেও গচ্ছিত সোনা-টাকায় হাত দেবেনা তিরুপতি মন্দির! সম্পত্তির অঙ্ক তাক লাগানো
প্রায় ২ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি বালাজি মন্দির। লকডাউনের জেরে মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকলেএ নিত্য সেবা ও পূজা রীতি প্রচলিত। এদিকে, মন্দির বন্ধ থাকার জন্য তিরুপতির আয়ে বিপুল প্রভাব পড়েছে।

আয়ে কমতি
আয়ে কমতি পড়ার জেরে তিরুপতি মন্দিরের ১৩০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এদিকে, এরপরও বাকি কর্মীদের বেতন দেওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে, তিরুপতি মন্দিরের তরফে সাফ জানানো হয়েছে যে সমস্যা যদি হয়ও বেতন দিতে, তাহলেও কোনও মতেই মন্দিরের অনুদান ও গচ্ছিত অর্থে হাত দেবে না কর্তৃপক্ষ। আর এর জেরে মন্দিরের মে মাসের বেতন বহু কর্মীকেই দিতে পারা যাবে না বলে জানিয়েছে তিরুপতি বালাজি মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী কালে তা দেওয়া হবে বলে খবর।

মন্দিরের বার্তা
মন্দিরের প্রাপ্ত সোনা ও টাকার পরিমাণ প্রায় কয়েক কোটি। তবে তার বদলে ব্য়ঙ্কের ফিক্স ডিপোসিট ভেঙে কর্মীদের বেতন দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, তিরুপতি মন্দিরের ১৪০০০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোসিট রয়েছে ব্যাঙ্কে। বিভিন্ন ভক্তের থেকে আসা অনুদানের থেকে এই টাকার প্রাপ্তি হয়েছে।

অনুদান প্রাপ্তি
উল্লেখ্য, তিরুপতি মন্দিরে বিভিন্ন দেশ বিদেশ থেকে অনুদান আসে। কখনও তা নগদ অর্থে কখনও তা সোনার মাধ্যমে দেওয়া হয়। বহু ব্যাঙ্কের মাধ্যমেও আসে অর্থ।

কত টাকার ক্ষতি?
লকডাউনের জেরে অন্তত ৪০০ কোটি টাকা আয়ে ঘাটতি পড়েছে তিরুপতি মন্দিরের। প্রতি মাসে এই মন্দিরে আয় হয় ২০০ কোটি টাকার মতো। মূলত, হুণ্ডি ও চুলদান থেকেই এই মন্দিরে আয়ের বেশিরভাগ অংশ আসে। আর লকডাউনের জেরে তা বন্ধ থাকায় ব্যাপক ক্ষতিরমুখে পড়েছে মন্দির। প্রতিবছর হুন্ডি থেকে ১০০০ থেকে ২০০০ কোটি টাকার আয় হয় মন্দিরের।












Click it and Unblock the Notifications