Uttar Pradesh: পাঁচিলের উপরে খোশ মেজাজে রোদ পোহাচ্ছেন তিনি, বড় দিনের পরেই দক্ষিণরায়ের দর্শন গ্রামে
বড় দিনে সকলেই ছুটির মুডে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েেছন ছুটি কাটাতে। তারাই বা কেন ঘরে থাকবে। তারাও বড়দিনের ছুটি কাটাতে বেরিয়ে পড়েছে জঙ্গলের বাইরে। মঙ্গলবার সকালে রীতিমতো চমকে ওঠার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
গ্রামের গুরুদ্বারে ডোরা কাটা কাকে যেন বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে দেখে তো আত্মারাম খাঁচা গ্রামবাসীদের। কেউ আর বাড়ির বাইরে বেরোতে সাহস পাচ্ছেন না। ভয়ে ঘরে সিঁধিয়েছেন গ্রামের অর্ধেক বাসিন্দা। তাতে অবশ্য তাঁর তেমন কোনও হেলদোল নেই। তিনি দিব্য গুরুদ্বারের পাঁচিলের উপর বসে আরাম করে রোদ পোহালেন।

এদিকে তাঁকে দেখে বাকিদের আত্মারাম খাঁচা। তাতে কি মাঝে মধ্যে তো তাঁরও ছুটি কাটাতে একটু বেরোতে ইচ্ছে করে। সেই ছুটির মুডেই একটু জনমানসেকে দেখতে বেরিয়েছিলেন তিনি। তারপর যা হবার তাই হয়েছে। একেবারে চোখের সামনে অতিকায় বাঘমামাকে দেখে যাকে বলে হুলুস্থূল কাণ্ড।
সঙ্গে সঙ্গে সেখানে হাজির হয় বনদফতরের কর্মীরা। তাঁরা গ্রামবাসীদের নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে বলেন। কিন্তু তাতে কি সেলফি আর রিলের জমানায় মানুষ ভয়কে জয় করেছে। পারলে বাঘের সঙ্গে সেলফি-রিল তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন আরকি। কিন্তু সে আসা পূরণ হয়নি তার আগেই গোটা জায়গা পুলিশ এবং বনদফতরের কর্মীরা ঘিরে ফেলেছিলেন।
তবে বাঘমামার পাঁচিলে রোদ খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হতে মুহূর্ত সময় লাগেিন। কয়েক মিনিটের মধ্যে নাকি প্রায় দেড়লাখ ভিউ হয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা যেসোশ্যাল মিডিয়ায় এতোটা সেটা যদি বাঘ মামা জানতেন? এদিকে পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনেও যাকে বলে হইহই কাণ্ড। গতকাল রাত থেকে নাকি তাঁর গর্জন শোনা যাচ্ছে। নদীর পাড়ে টাটকা পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। রাত থেকে বাঁশ হাতে পাহারা দিচ্ছে গ্রামবাসীরা। নদীর বাঁধ বরাবর আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications