তিরুপাথুর জেলায় শিক্ষকের ওপর গালিগালাজ ও হামলার চেষ্টা তিন পড়ুয়ার, কিন্তু কেন?
তিরুপাথুর জেলায় শিক্ষকের ওপর গালিগালাজ ও হামলার চেষ্টা তিন পড়ুয়ার, কিন্তু কেন?
জন্মের পর সকল শিশুর কাছে পরিবার হচ্ছে শিক্ষাকেন্দ্র। সেখান থেকেই তাঁরা আসল শিক্ষা পেয়ে থাকে। তারপর বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাগুরু হয়ে ওঠেন। তবে তাঁদের সম্মান করাই পড়ুয়াদের উচিত। কিন্তু বর্তমান সমাজে মাঝে মধ্যে এর উল্টো ঘটনাও কিন্তু দেখা যায়। তেমনিই ঘটনা এবার ঘটতে দেখা গেল তিরুপাথুর জেলার আম্বুর এলাকায় মদনুর সরকারি স্কুলে। যেখানে শিক্ষককে গালিগালাজ ও হামলার চেষ্টা করে ছাত্ররা। ঘটনা জেরে বরখাস্ত করা হয় তিন স্কুল পড়ুয়াকে। কিন্তু কেন ছাত্ররা শিক্ষককের সঙ্গে এমন ব্যবহার করছিলেন?

জানা গিয়েছে, দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রদের ক্লাস নিচ্ছিলেন এক উদ্ভিদ বিদ্যার শিক্ষক সঞ্জয় গান্ধী। তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন তাঁদের বই জমা দিতে। আর সেখানে হল বিপত্তি!
ক্লাস চলাকালীন মারি নামের একটি ছাত্র সেই সময় ক্লাসে ঘুমাছিল। তাই শিক্ষক তাকে ঘুম থেকে তুলে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আর তখনই ছাত্রটি রেগে গিয়ে শিক্ষককে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। শিক্ষককে গায়ে হাত পর্যন্ত তোলে। এমন নিন্দনীয় ঘটনা ভাইরাল হল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা দেখে অনেকেই তীব্র নিন্দা করেছেন।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অপর একজন ছাত্র শিক্ষকের সঙ্গে একই ব্যবহার করছে। আর তাদের মদত দিচ্ছেন আরও এক ছাত্র। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ঘটনার স্থানে পৌঁছান রাজস্ব আধিকারিক, আরডিও ও পুলিশ আধিকারিকরা তাঁরা ঘটনা তদন্ত শুরু করেন। সেই সঙ্গে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের এবং অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সেখান থেকে তাঁরা জানতে পারেন এমন নিন্দনীয় ঘটনার কথা। আর তাঁর পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ সাময়িক বরখাস্ত করেছে তিন পড়ুয়াকে।
ইতিমধ্যে স্কুলের তরফে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে প্রধান অভিযুক্ত অর্থাৎ মারি অভিভাবকদের সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষের মিটিং না করা পর্যন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত তাকে ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না তাঁকে। পাশপাশি এও ভবিষ্যতে যদি এম্ন ঘটনা পড়ুয়ারা ঘটায়, তাহলে স্কুলের তরফে তাদের বিষয়ে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications