ভোটের মুখে জোট সরকারে ধাক্কা! রাজ্যে ভারি হল রাহুলের দল
ভোটের আগে কার্যত রাজ্যে ধাক্কা খেল বিজেপি। বিজেপির পাশাপাশি আইপিএফটি থেকে নেতানেত্রীদের কংগ্রেসে যাওয়া অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ ঘটনাটি হল৩ আইপিএফটি নেত্রীর কংগ্রেসে যোগদান।
ভোটের আগে কার্যত রাজ্যে ধাক্কা খেল বিজেপি। একদিকে যেমন আইপিএফটি ত্রিপুরায় দুটি লোকসভা আসনেই প্রার্থী দিয়েছে, অন্যদিকে, ভোটের আগে বিজেপির পাশাপাশি আইপিএফটি থেকে নেতানেত্রীদের কংগ্রেসে যাওয়া অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ ঘটনাটি হল৩ আইপিএফটি নেত্রীর কংগ্রেসে যোগদান।

২০১৮-র ফেব্রুয়ারিতে ত্রিপুরায় সরকার গঠন করেছিল বিজেপি-আইপিএফটি জোট। ৬০ টির মধ্যে ৪৪ টি আসন দখল করেছিল এই জোট। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদ্যোত কিশোর মানিক্য দেববর্মন জানিয়েছেন, বিজেপির বিরুদ্ধে তিনি একত্রিত লড়াই লড়তে চান। প্রথমের দিকে আইপিএফটি নেতারা তাঁর এই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
২০০৯ সালে পৃথক তুইপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে প্রকাশ্যে আসে আইপিএফটি। ত্রিপুরা ট্রাইবাল এরিয়াস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল এরিয়া নিয়ে এই পৃথক রাজ্যের দাবি করেছিল তারা। আলাদা রাজ্যের দাবি তুলে তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, এই অভিযোগেই ওই তিন নেত্রী আইপিএফটি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। মানুষকে বিশ্বাস করানো হয়েছিল তুইপ্রাল্যান্ড গঠন করা হবে। কিন্তু তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছিল। মন্তব্য করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এঁদেরই যাঁরা রাজ্য ক্যাবিনেটে রয়েছেন, তাঁরাই নিজেদের মানুষগুলির সঙ্গে প্রতারণা করছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আইপিএফটি সুপ্রিমো এনসি দেববর্মা এবং সাধারণ সম্পাদক মেভার কুমার জামাতিয়ার কথা উল্লেথ করেছেন। তাঁরা দুজনেই রাজ্যের বিপ্লব দেব মন্ত্রিসভার সদস্য। পাশাপাশি তিনি ককবরককে সংবিধানের অষ্টম তফশিলে আনার ব্যাপারেও আশ্বাস দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications