ফের কী ২০২০ সালের পুনরাবৃত্তি? করোনা সঙ্কটের জেরে ফের শহর ছাড়ছে পাড়ি হাজার হাজার পরিযায়ী
ফের কী ২০২০ সালের পুনরাবৃত্তি? করোনা সঙ্কটের জেরে ফের শহর ছাড়ছে পাড়ি হাজার হাজার পরিযায়ী
ইতিমধ্যেই ধারে ভারে ফের নতুন মাত্রায় গোটা দেশে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাস। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাতেও ভাঙছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড। ইতিমধ্যেই পরশু দৈনিক ১ লক্ষ সংক্রমণের গণ্ডিও পার করে ফেলে ভারত। অনেকেই বলছেন এ যেন ২০২০ সালের মহামারি শুরু পর্বের সেই ভয়াবহ স্মৃতিই ফিরিয়ে দিচ্ছে করোনা।

ভয়বহ করোনা সঙ্কটে মুম্বই
অন্যদিকে করোনা বিপর্যয়ে সবথেকে বেশি কাহিল মুম্বই, তারপরেই রয়েছে দিল্লি। পাল্লা দিয়ে সংক্রমণ বাড়াচ্ছে দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলিও। আংশিক লকডাউন, নাইট কার্ফুও জারি হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। এমতাবস্থায় করোনা ঠেকিয়ে কতদিন স্বাভাবিক ছন্দে থাকতে পারবে গোটা দেশ সেই প্রশ্নও উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। আর ঠিক এই সময়েই সব থেকে বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়চ্ছে পরিযায়ী সঙ্কট।

ফের কাজ হারিয়ে নিজ গ্রামে ফিরছেন হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক
সূত্রের খবর, মুম্বই, দিল্লি থেকে ফের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিজ নিজ গ্রামে ফিরতে শুরু করেছে পরিযায়ী শ্রমিকের দল। সব থেকে বেশি সংখ্যায় শহর ছাড়ছেন মুম্বইয়ের পরিযায়ী শ্রমিকেরা। বিভিন্ন রেল স্টেশন,বড় বড় বাস স্টপগুলিতে গেলেই চোখে পড়ছে সেই চিত্র। মুম্বই থেকে বিহার, উত্তরপ্রদেশ,বাংলা সহ একাধিক রাজ্যে ফিরে যাচ্ছেন পরিযায়ীরা।

কী বলছেন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিকেরা
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিহারের মধুবনীর ১৮ বছরের পরিযায়ী শ্রমিক বলরাম বলেন, " এখন কিছুদিন খেতে পাচ্ছি, কিছুদিন পাচ্ছি না। পরিস্থিতি আবার খারাপ হতে শুরু করেছে। যে অফিসে আমি কাজ করে তাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সবাইকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমাকে বলছে তোমার আর এখানে প্রয়োজন নেই। অফিস খুললে আবার তোমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হতে পারে। এই অবস্থায় বাড়ি ফিরে যাওয়াই টিক বলে মনে করছি। "

সঙ্কটে পড়ছেন অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা
একই অবস্থা মহারাষ্ট্রের অন্যান্য বড় শহর পুনে, থানে,নাগপুরেরও। কোথায় ফের বন্ধ হয়েছে অফিস, কোথায় হচ্ছে ছাঁটাই। সব থেকে বেশি কষ্ট পড়েছেন স্বল্প বেতনের অসংগঠিত কর্মীরা। এদিকে গোটা দেশের দৈনিক সংক্রমণের সিংহভাগই বর্তমানে মহারাষ্ট্রের। সব থেকে বেশি খারাপ অবস্থা, মুম্বই, পুনের। এদিকে গোটা রাজ্যে এখনও পর্য্ন্ত কোনার কবলে পড়েছেন ৩০ লক্ষ ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ। মারা গিয়েছেন ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications