Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

যারা রেইড করত, তাদেরই রেইড! কেন ঝাড়খণ্ড পুলিশ তল্লাশি চালাল ইডি-র রাঁচি দপ্তরে? জানুন

দেশের তদন্ত জগত যেন বৃহস্পতিবার পেল এক অদ্ভুত মোড়! যাঁরা বছরের পর বছর রেইড চালিয়ে আসছেন, তাঁরাই এবার রেইডের মুখে রাঁচিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এর আঞ্চলিক দপ্তরে ঢুকে পড়ল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। লক্ষ্য এক সরকারি কর্মীর মারধরের অভিযোগে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ।

ঘটনার সূত্রপাত ১২ জানুয়ারি। রাজ্যের জল ও পয়ঃনিষ্কাশন বিভাগে কর্মরত সন্তোষ কুমার অভিযোগ করেন, একটি জল সরবরাহ দুর্নীতির মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁকে নাকি মারধর করেছে ইডি-র কর্তারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পৌঁছায় পুলিশের অফিসারদের দল ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক ও বিমানবন্দর থানার ইনচার্জ ছিলেন নেতৃত্বে।ইডি অবশ্য পাল্টা আইনি পথে আক্রমণ শানায়। বৃহস্পতিবারই হাই কোর্টের দরজায় কড়া নেড়ে সংস্থাটি জানায় এটি তদন্ত সংস্থার কাজে 'বেআইনি হস্তক্ষেপ'। উচ্চ আদালত শোনার পরই পুলিশি তদন্তে স্থগিতাদেশ জারি করেন ও রাঁচির এসএসপিকে দেন কড়া বার্তা সুরক্ষা বিঘ্ন ঘটলে দায়ভার তাঁরই হবে।

-

আদালত আরও নির্দেশ দেয় ইডি দপ্তরের নিরাপত্তায় সিআরপিএফ/বিএসএফ অথবা অন্য কোনো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে পক্ষভুক্ত করারও নির্দেশ যায়।

এদিকে ইডি-এর আইনজীবী আদালতে জানান, সন্তোষ কুমারের বিরুদ্ধে ২৩ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত চলছে ও তার মধ্যে ৯ কোটি ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনার রাজনৈতিক ভূমিকম্পও শুরু হয়েছে। ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মরান্ডি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন "বিমানবন্দর রোডে ইডি দপ্তর ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জড়িত বহু কোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ সেখানে রয়েছে। পুলিশি অভিযানের আড়ালে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা হতে পারে।"

এ দৃশ্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ কয়েকদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গেও আই প্যাক অফিসে ইডি অভিযান নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সংঘাত বাধে। ফলে দেশের তদন্ত ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন নিজেই ইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এসসি/এসটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তাঁর দিল্লির বাড়িতে তল্লাশির 'অপমানজনক' আচরণের অভিযোগে। সেই অভিযানের সূত্রেই উঠে আসে জমি দখল ও মালিকানা বদলের এক বৃহৎ দুর্নীতির চক্রের অভিযোগ।

এখন প্রশ্ন তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত কি শুধু আইনের পথেই, নাকি রাজনীতির ময়দানে আরও বড় লড়াইয়ের পূর্বাভাস?যারা রেইড করত, তাদেরই রেইড! কেন ঝাড়খণ্ড পুলিশ তল্লাশি চালাল ইডি-র রাঁচি দপ্তরে? জানুন

those who used to conduct raids are now being raided! why did the jharkhand police search the ed's ranchi office? know details

দেশের তদন্ত জগত যেন বৃহস্পতিবার পেল এক অদ্ভুত মোড়! যাঁরা বছরের পর বছর রেইড চালিয়ে আসছেন, তাঁরাই এবার রেইডের মুখে রাঁচিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এর আঞ্চলিক দপ্তরে ঢুকে পড়ল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। লক্ষ্য এক সরকারি কর্মীর মারধরের অভিযোগে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ।

ঘটনার সূত্রপাত ১২ জানুয়ারি। রাজ্যের জল ও পয়ঃনিষ্কাশন বিভাগে কর্মরত সন্তোষ কুমার অভিযোগ করেন, একটি জল সরবরাহ দুর্নীতির মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁকে নাকি মারধর করেছে ইডি-র কর্তারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পৌঁছায় পুলিশের অফিসারদের দল ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক ও বিমানবন্দর থানার ইনচার্জ ছিলেন নেতৃত্বে।ইডি অবশ্য পাল্টা আইনি পথে আক্রমণ শানায়। বৃহস্পতিবারই হাই কোর্টের দরজায় কড়া নেড়ে সংস্থাটি জানায় এটি তদন্ত সংস্থার কাজে 'বেআইনি হস্তক্ষেপ'। উচ্চ আদালত শোনার পরই পুলিশি তদন্তে স্থগিতাদেশ জারি করেন ও রাঁচির এসএসপিকে দেন কড়া বার্তা সুরক্ষা বিঘ্ন ঘটলে দায়ভার তাঁরই হবে।

আদালত আরও নির্দেশ দেয় ইডি দপ্তরের নিরাপত্তায় সিআরপিএফ/বিএসএফ অথবা অন্য কোনো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে পক্ষভুক্ত করারও নির্দেশ যায়।

এদিকে ইডি-এর আইনজীবী আদালতে জানান, সন্তোষ কুমারের বিরুদ্ধে ২৩ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত চলছে ও তার মধ্যে ৯ কোটি ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনার রাজনৈতিক ভূমিকম্পও শুরু হয়েছে। ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মরান্ডি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন "বিমানবন্দর রোডে ইডি দপ্তর ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জড়িত বহু কোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ সেখানে রয়েছে। পুলিশি অভিযানের আড়ালে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা হতে পারে।"

এ দৃশ্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ কয়েকদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গেও আই প্যাক অফিসে ইডি অভিযান নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সংঘাত বাধে। ফলে দেশের তদন্ত ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন নিজেই ইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এসসি/এসটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তাঁর দিল্লির বাড়িতে তল্লাশির 'অপমানজনক' আচরণের অভিযোগে। সেই অভিযানের সূত্রেই উঠে আসে জমি দখল ও মালিকানা বদলের এক বৃহৎ দুর্নীতির চক্রের অভিযোগ।

এখন প্রশ্ন তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত কি শুধু আইনের পথেই, নাকি রাজনীতির ময়দানে আরও বড় লড়াইয়ের পূর্বাভাস?

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+