প্রবাসে অবাঙালি পরিবারের এই বাঙালি বধূ নিজের মতো করে মেতে ওঠেন দুর্গাপুজোয়
বাড়ি থেকে দূরে প্রবাসী বাঙালিরাও নিজের মতো করে মেতে ওঠেন তাঁদের এই প্রাণের উৎসবে। যেমন ছোট থেকে বাংলার বাইরে প্রতিবছর প্রবাসের পুজোয় মেতেছেন বেঙ্গালুরুর প্রিয়ংকা ভট্টাচার্য।
ভোররাতে বাগানে কোঁচর ভর্তি করে শিউলি কোড়ানো কিংবা সারা রাত জেগে প্যান্ডেল হপিং- এর মজা বাংলার বাইরে মেলা মুশকিল। তবে বাংলার বাইরেও দুর্গা পুজোয় যে কোনও বাঙালিই মেতে ওঠেন। তাতে হয়তো শরতের নীল আকাশ বা কাশবনের ভিতর দিয়ে ঠাকুর নিয়ে আসার দৃশ্য ধরা পড়েনা, তবে বাড়ি থেকে দূরে প্রবাসী বাঙালিরাও নিজের মতো করে মেতে ওঠেন তাঁদের এই প্রাণের উৎসবে। যেমন ছোট থেকে বাংলার বাইরে প্রতিবছর প্রবাসের পুজোয় মেতেছেন বেঙ্গালুরুর বাঙালি বধূ প্রিয়ংকা ভট্টাচার্য।

পেশায় কনটেন্ট এডিটর প্রিয়ংকা বেঙ্গালুরুর প্রবাসী বাঙালি। তবে ছোটবেলা থেকে ছিলেন দিল্লিতে। ফলে কলকাতার পুজো নয়, প্রিয়ংকার নস্টালজিয়া দিল্লির পুজো ঘিরেই। ৮ বছর ধরে বেঙ্গালুরুতে সপরিবারে থাকছেন তিনি। স্বামী অবাঙালি হলেও পুজোর ক'টা দিন বাঙালি সংস্কৃতিতে পুরোপুরি ডুবে থাকে প্রিয়াংকার পরিবার।

বেঙ্গালুরুর 'সোররবা'-র দুর্গাপুজোর সদস্য প্রয়ংকা জানিয়েছেন দিল্লির পুজোতে এক্কেবারে আলাদা বাংলার বাইরের একটা আমেজ থাকত। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুর পুজোয় কলকাতার গন্ধ পাওয়া যায়।

প্রিয়ংকা জানিয়েছেন , দিল্লির পুজোতে ৪ দিনে বাংলা সিনেমা দেখার মজাটাই ছিল আলাদা! তবে বেঙ্গালুরুতে সেই মজাকে ধরে রাখতেও পুজোর সময়ে থাকে প্রচুর আয়োজন। যেমন প্রিয়াংকাদের সোররবা-র পুজোকেই এবছর থাকছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মনোজ মিত্রের 'অপয়া সিংহাসন" সহ একাধিক অনুষ্ঠান এখানে আয়োজিত হতে চলেছে। এবছরও আর চার পাঁচ জন বাঙালির মতো প্য়ান্ডেল হপিং -এ বেরোবেন প্রিয়ংকা ও তার পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications