Farmers Protest: কৃষক আন্দোলনে উত্তাল রাজধানী, কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রতিবাদী কৃষকরা
Farmers Protest: কৃষক আন্দোলনের পারদ চড়ছে। আর এর মধ্যেও আরও একবার কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে প্রতিবাদী কৃষকরা। বৃহস্পতিবার সন্ধায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠক হওয়ার কথা। বৈঠকে একদিকে উপস্থিত থাকবেন প্রতিবাদী কৃষকদের প্রতিনিধিরা।
অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় তিন মন্ত্রী। তাঁরা হলেন অর্জুন মুন্ডা, পিয়ুষ গোয়েল এবং নিত্যানত্য রাই। ফলে এই বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেদিকেই নজর সবার। তবে এর আগে দু'বার কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রতিবাদী কৃষকরা (Farmers Protest)।

কিন্তু সেই বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। আর তার জেরে মঙ্গলবার থেকে কৃষক আন্দোলন ব্যাপক আকার নিয়েছে। কেন্দ্রের মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অর্জুন মুন্ডা বুধবারই নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসেন। কৃষক আন্দোলন নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এছাড়াও কৃষকদের একাধিক দাবিদাওয়া নিয়েও আলোচলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আর এরপরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা জানান, কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করতে তৈরি কেন্দ্রীয় সরকার। তবে আলোচনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখার আবেদন কৃষকদের প্ররি রাখা হয়েছে। আন্দোলনের নামে যাতে সাধারণের জীবনযাত্রা যাতে ব্যাহত না হয়, তার জন্য লক্ষ্য রাখতে আহ্বান করেছেন তিনি।
এদিকে আগামীকাল শুক্রবার দেশজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন এবং সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। পাশাপাশি পাঞ্জাব জুড়ে টোল প্লাজাগুলিতে বিক্ষোভ দেখানো হবে বলেও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে। বুধবার এই বিষয়ে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে একটি বৈঠকও করা হয়। যা নিয়ে নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা থাকছে। অন্যদিকে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা সীমান্তে শম্বু বর্ডার নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল নিরাপত্তা বাহিনীকে। চলছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারী।
কিন্ত্যু সেই ড্রোন নষ্ট করে দিতে প্রতিবাদী কৃষকরা ঘুড়ি ব্যবহার করছে। অন্যদিকে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গোটা দিল্লিজুড়ে ভেঙে পড়েছে ট্র্যাফিক ব্যবস্থা। এই অবস্থায় ট্র্যাফিকের তরফে যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইজারি জারি করা হয়েছে। যেখানে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। গত কয়েকদিনের মতো দিল্লিজুড়ে আজও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে দিল্লি পুলিশের তরফে।
জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। উল্লেখ্য, ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এবং ঋণ মুকুব সহ একাধিক ইস্যুকে মাথায় রেখে শুরু হয়েছে কৃষকদের এই আন্দোলন।












Click it and Unblock the Notifications