পাখির চোখ ২০২৪! দু’সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয় বৈঠক, ঘন ঘন পাওয়ার সাক্ষাতে কী বার্তা দিতে চাইছেন পিকে?
২০২৪-র ঘুঁটি সাজাতে এখন থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন মোদী বিরোধী ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। এদিকে চলতি মাসেই তিন দফায় বৈঠকও সেরে ফেললেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মমতাকেই প্রধান মোদী বিরোধী মুখ করতে চাইছেন পিকে। আর তারই পটচিত্র এখন থেকে লিখতে শুরু করেছেন তিনি।

এর আগে ১১ জুন প্রথম শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মমতার এই অন্যতম প্রধান সেনানি। তারপর থেকেই বিজেপি-বিরোধী জোটের জল্পনার চোরাস্রোতে নতুন করে গতি আসে। পরবর্তীতে গত সপ্তাহেই শরদ পাওয়ারের বাসভবনে ফের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন প্রশান্ত কিশোর। এদিকে আবার মঙ্গলবার রাষ্ট্রমঞ্চের ছাতার তলায় এনসিপি-সহ অন্যান্য দলের বৈঠক বসে পাওয়ারের বাসভবনেই।
কিন্তু রাষ্ট্রমঞ্চের বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পাওয়ারের বাসভবনে পিকের উপস্থিতিতে নতুন ইঙ্গিতই দেখতে পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাদের দাবি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পাওয়ার-মমতাকে সামনে রেখেই যে লড়াইয়ের মূল মঞ্চ তৈরি হতে হবে তা ঘন ঘন পাওয়ার সাক্ষাতের মাধ্যেমেই বুঝিয়ে দিতে চাইছেন এই পোড়খাওয়া ভোটকুশলী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি সিপিএম, আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি-সহ ৮টি অকংগ্রেসী দলগুলিকে নিয়ে এখন থেকেই সলতে পাকানোর কাজ শুরু করতে চাইছেন পিকে। আর সেই বিজেপি-বিরোধী তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনে পাওয়ারের পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা নিতে চলেছেন প্রশান্ত কিশোর। যা নিয়ে পিকের কাছে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তিনি কখনওই তার সোজা উত্তর দেননি।
এদিকে বাংলায় বিজেপির বিজয়রথ আটকে এ বার দিল্লির মসনদকেও যে তৃণমূল পাখির চোখ করেছে তা বলাই বাহুল্য। তবে এই রাস্তায় কংগ্রেসকেও কড়া বার্তা দিতে চাইছেন পিকে। তাদের জন্য দরঝা খোলা থাকলেও তারাই যে নির্ণায়ক ফ্যাক্টর নয় এটা তিনি বোঝাতে চাইছেন বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।এদিকে ইতিমধ্যেই ২০২৬ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে চুক্তিপত্রও পেয়ে গিয়েছে কিশোরের আই-প্যাক। সূত্রের খবর, বুধবার বিকালে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের দিল্লি ৬ নম্বর জনপথ রোডের বাড়িতে প্রায় ১ ঘন্টারও বেশি সময় কাটান পিকে।












Click it and Unblock the Notifications