আর কিছুক্ষণ, তারপরই মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ, রেখা গুপ্তার সাথে শপথ নেবেন এই তিন নেতাও
দিল্লির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। ফের একবার রাজধানী মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে। গতকালই নব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নাম নির্ধারিত হয়েছে রেখা গুপ্তার। আর আজ কিছুক্ষণ পরই রয়েছে তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।
তবে রেখা গুপ্তা শুধু একা নন, তাঁর সাথে আরও অনেকেই আজ মন্ত্রী হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করবেন। বিজেপির বিশিষ্ট নেতা প্রবেশ বর্মা, মনজিন্দর সিং সিরসা এবং কপিল মিশ্র নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা যাচ্ছে।

নতুন মন্ত্রীরা কারা?
- প্রবেশ বর্মা: বিজেপির প্রবীণ নেতা ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য, যিনি দিল্লির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে পরাজিত করেছেন।
- মনজিন্দর সিং সিরসা: শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, যিনি রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- কপিল মিশ্র: প্রাক্তন আপ নেতা, যিনি পরবর্তীতে বিজেপিতে যোগ দেন। আপ সরকারের তীব্র সমালোচক হিসেবে পরিচিত তিনি, বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে তার সরব অবস্থানের জন্য শিরোনামে থেকেছেন।
বৃহস্পতিবার দিল্লির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেখা গুপ্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন। বিজেপির শালিমার বাগের বিধায়ক গুপ্তাকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে রামলীলা ময়দানে এক বিশাল জনসভায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি প্রবেশ বর্মা উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন।
অন্যদিকে, এই হাই প্রোফাইল অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দিল্লি প্রশাসন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী-
- ২৫,০০০ এর বেশি নিরাপত্তা কর্মী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে
- ১৫টি আধাসামরিক সংস্থা দায়িত্ব পালন করছে
- রামলীলা ময়দান ও আশপাশে ৫,০০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকছে
- ২,৫০০ কৌশলগত পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য
বিশেষ পুলিশ কমিশনার (আইন-শৃঙ্খলা) রবীন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, গত দুই দিন ধরে নিরাপত্তা প্রস্তুতি চলছে। দিল্লি পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরা বৃহস্পতিবার সকালে ব্যক্তিগতভাবে অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন এবং সমস্ত ব্যবস্থা তদারকি করেন।
এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি দিল্লির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং হাজার হাজার সমর্থক উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে দিল্লির মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ শুধুমাত্র প্রশাসনিক দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিকভাবে বিজেপির অবস্থান আরও দৃঢ় করার একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications